১৮ শিক্ষক-কর্মচারী, দাখিলে পাঁচজনের কেউই পাস করেনি

হোম » শিক্ষা » ১৮ শিক্ষক-কর্মচারী, দাখিলে পাঁচজনের কেউই পাস করেনি
বুধবার ● ১২ আগস্ট ২০২৬


 

১৮ শিক্ষক-কর্মচারী, দাখিলে পাঁচজনের কেউই পাস করেনি

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, পিরোজপুর

 

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার পূর্ব আকলম দাখিল মাদ্রাসা থেকে এ বছর দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া পাঁচ পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। অথচ প্রতিষ্ঠানটিতে ১৫ জন শিক্ষক ও তিনজন কর্মচারী রয়েছেন। সোমবার (১০ আগস্ট) এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এ তথ্য জানা যায়।

 

মাদ্রাসাটি নন-এমপিওভুক্ত। ১৮ শিক্ষক-কর্মচারীর এ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দুই শতাধিক। প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্তির জন্য আবেদনও করেছে। এরপরও দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া পাঁচ শিক্ষার্থীর কেউ উত্তীর্ণ না হওয়ায় অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

 

অকৃতকার্য এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেন, ‘আমার ছেলে ঠিকমতো পড়ত না, মাদ্রাসাও ঠিকমতো লেখাপড়া করায়নি। স্যাররা নিয়মিত আসতেন না। তাঁরা যদি আরেকটু গাইড করতেন, তাহলে ভালো ফল করতে পারত।’

 

মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘চলতি বছর পাঁচ শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে কেউই পাস করতে পারেনি। এর সুনির্দিষ্ট কারণ আমরা বুঝে উঠতে পারছি না।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘মাদ্রাসা এখনো এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষকদের বেতন হয় না। এ কারণে কখনো কখনো শিক্ষকেরা অনুপস্থিত থাকতেন। ফলাফল খারাপ হওয়ার পেছনে এটিও একটি কারণ হতে পারে। মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করি।’

 

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর নেছারাবাদের ২১টি মাদ্রাসা থেকে ৫৪৫ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ৩০৯ জন পাস করেছে। পাসের হার ৫৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২ জন।

 

নেছারাবাদ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জহিরুল আলম বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠানের ফলাফল ভালো হয়েছে। তবে কিছু প্রতিষ্ঠানে যথেষ্ট শিক্ষক-কর্মচারী থাকার পরও ফলাফল খারাপ হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল খারাপ হয়েছে, তাদের কাছে চিঠির মাধ্যমে কারণ জানতে চাওয়া হবে।

বাংলাদেশ সময়: ১২:০৪:২৯ ● ৫ বার পঠিত




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

আর্কাইভ