কলাপাড়ায় লোনা পানিতে কৃষকের গবাদিপশু ও হাঁসের জীবন বিপন্ন

হোম পেজ » বিশেষ প্রতিবেদন » কলাপাড়ায় লোনা পানিতে কৃষকের গবাদিপশু ও হাঁসের জীবন বিপন্ন
শনিবার ● ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


 

কলাপাড়ায় লোনা পানিতে কৃষকের গবাদিপশু ও হাঁসের জীবন বিপন্ন

মেজবাহউদ্দিন মাননু

পটুয়াখালীর কলাপাড়ার পশ্চিম মধুখালীসহ তিনটি গ্রামের চার শতাধিক কৃষক পরিবার লোনা পানি প্রবেশের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। ব্যবহারের পানি সংকটের কারণে তারা গবাদিপশুকে পানি খাওয়াতে ও হাঁস পালন করতে পারছেন না। খালের লোনা পানি খেয়ে ইতোমধ্যে শতাধিক হাঁস মারা গেছে। গরুবাছুরের জন্য এখন শুকিয়ে যাওয়া পুকুরের পানি বালতিতে তুলে খাওয়াতে হচ্ছে।

 

স্থানীয়রা জানান, ৫-৬ দিন আগে রাতে একটি প্রভাবশালী মহল চার ভেন্টের স্লুইসগেট খুলে দীর্ঘ প্রায় পাঁচ কিলোমিটার খালে লোনা পানি ঢুকিয়ে দেন। এতে স্থানীয় কৃষক পরিবারে ভোগান্তি শুরু হয়। আবু ইউসুফ আকন জানান, খালে হঠাৎ লোনা পানি ঢুকেছে। আমার হাঁস ২২টি মারা গেছে, আরও মরা হাঁস ওই লোনা পানিতে ভাসতে দেখা গেছে। গরু পানি খেতে পারছে না। মজনু হাওলাদার জানান, প্রতিদিন সকালে, দুপুরে ও সন্ধ্যায় গরুর জন্য পুকুরের পানি বালতিতে করে খাওয়াতে হয়। কষ্টের শেষ নেই। আমাদের ক্ষতি করেছেন একটি প্রভাবশালী মহল।

মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. কাওসার গাজী জানালেন, খালটি মিঠাগঞ্জের চারটি ওয়ার্ডের কৃষকের পানি সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয়। ইতিমধ্যে খালটি ভরাট হয়ে গেছে। কয়েকদিন আগে মাছ ধরার লোভে একটি স্বার্থান্বেষী মহল স্লুইসগেট খুলে লোনা পানি ঢুকিয়েছে। কৃষকের দুর্ভোগের শেষ নেই। গরুবাছুরের জন্য সমস্যার মধ্যে পড়েছেন।

মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন খান দুলাল বলেন, লোনা পানি প্রবেশ ঠেকাতে স্লুইসের সামনে অস্থায়ী বাঁধ দেওয়ার প্রয়োজন ছিল। রাতের বেলা একটি কুচক্রী মহল স্লুইসগেট খুলে দিয়ে লোনা পানি খালে প্রবেশ করিয়েছে।

 

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাউছার হামিদ জানান, তিনি বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ইউপি চেয়ারম্যানকে নির্দেশনা দেবেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৬:০৬:৩৯ ● ১৬ বার পঠিত




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

আর্কাইভ