
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, নেছারাবাদ (পিরোজপুর)
পিরোজপুরের নেছারাবাদে সাইবার সুরক্ষা আইনে দায়ের করা মামলায় নাঈম হাওলাদার (২৪) ও রনি মাঝি (১৫) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া স্বরূপকাঠী পৌরসভার লোড পয়েন্ট এলাকা থেকে তামিম ইসলাম (১৮) নামে আরও একজনকে সন্দেহজনক অবস্থায় গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার নাঈম হাওলাদার উপজেলার সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অশ্বত্থকাটি গ্রামের শওকত আলীর ছেলে। রনি মাঝি একই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাগরকান্দা গ্রামের নান্নু মাঝির ছেলে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সাগরকান্দা বাজার এলাকা থেকে নাঈম ও রনিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর রিয়াজুল কবির মৃধা বাদী হয়ে সাইবার সুরক্ষা আইনে শারমিন জাহান হ্যাপিকে প্রধান আসামি করে আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, প্রধান আসামি শারমিন আক্তার হ্যাপিসহ অন্য আসামিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিয়াজুল কবির মৃধাকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে আসছিলেন। এতে তাঁর সামাজিক ও ব্যক্তিগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
বাদী রিয়াজুল কবির মৃধা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাকে নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালানো হয়েছে। এতে আমি সামাজিকভাবে বিব্রত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। বিষয়টি আইনগতভাবে প্রতিকার পাওয়ার জন্যই মামলা করেছি। আসামিদের মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিদেশে লুকিয়ে থাকা প্রধান আসামি শারমিন আক্তার হ্যাপিকে দেশে এনে গ্রেপ্তার করাসহ অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানাচ্ছি।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, মামলার পরিপ্রেক্ষিতে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
এ ছাড়া স্বরূপকাঠী পৌরসভার লোড পয়েন্ট এলাকা থেকে তামিম ইসলামকে সন্দেহজনক অবস্থায় গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আরএ/এমআর