বরগুনায় ১৫ দিনেও উদ্ধার হয়নি অপহৃতা স্কুলছাত্রী: আদালতে ধর্ষণ মামলা

হোম পেজ » বরগুনা » বরগুনায় ১৫ দিনেও উদ্ধার হয়নি অপহৃতা স্কুলছাত্রী: আদালতে ধর্ষণ মামলা
রবিবার ● ২৩ নভেম্বর ২০২৫


বরগুনায় অপহৃতা স্কুলছাত্রীকে ১৫ দিনে উদ্ধার হয়নি, আদালতে ধর্ষণ মামলা

সাগরকন্যা প্রতিবেদন, বরগুনা

দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া হিন্দু মেয়েকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগে ৪ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছে স্কুল ছাত্রীর বাবা। রবিবার বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ লায়লাতুল ফেরদৌস মামলাটি গ্রহন করে বরগুনা জেলার পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এজাহার ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। এ মামলায় আসামী করা হয়েছে টাঙ্গাইল জেলার ভুয়াপুর উপজেলার মাটিকাটা গ্রামের মোঃ মিনহাজ আলীর ছেলে মোঃ শরিফ হোসেন (২২), তার বাবা মোঃ মিনহাজ আলী, মা মোসাঃ কবিতা খাতুন ও চাচা মোঃ জুরান আলীকে।

জানা যায়, বাদির বাড়ি বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলায়। বাদির নাবালিকা ১৬ বছরের মেয়ে স্থানীয় একটি মাধ্যমিকে দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। সামাজিক যোগাযোগ ফেইসবুকের মাধ্যমে আসামী শরিফ হোসেনর সঙ্গে বাদির মেয়ের পরিচয় থেকে প্রেম হয়। শরিফ হোসেন বাদির মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। বিষয়টি উভয়ের পরিবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। বাদি তার মেয়েকে মুসলিম পরিবারে বিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এতে শরিফ হোসেন ও তার পরিবার ক্ষুব্ধ হয়। আসামী শরিফ হোসেন এ বছরের ২৪ অক্টোবর বাদির মেয়েকে অপহরণ করে নেওয়ার পথে লোকজন দেখে পাথরঘাটা থানার পুলিশকে জানালে পুলিশ মেয়েকে উদ্ধার করে বাদির নিকট দেয়। এদিকে আসামী শরিফ হোসেন ও তার পরিবার বাদির মেয়কে নেওয়ার জন্য আপ্রান চেস্টা করে যাচ্ছেন। বাদি বলেন, আমার মেয়ে নিত্যদিনের মত স্কুলে যায় আসে। গত ৮ নভেম্বর শনিবার দুপুর আড়াইটার সময় আমার মেয়ে স্কুল ছুটির পরে বাড়ি ফেরার পথে স্কুল সংলগ্ন উত্তর পাশে বাড়ির সামনে পাকা রাস্তায় আসে। এমন সময় আসামী শরিফ হোসেনসহ অন্য আসামীদের সহযোগীতায় আমার মেয়েকে খুনের ভয় দেখিয়ে মাইক্রোবাসে তুলে জোর করে অপহরণ করে নিয়ে যায়। আমি আসামী শরিফ হোসেন ও তার পরিবারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করি। তারা আমার মেয়েকে ফেরৎ দেয়নি। আমার ধারণা আসামী শরিফ হোসেন আমার নাবালিকা মেয়েকে জোর করে আটক রেখে ধর্ষণ করেছে। আমার মেয়েকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্মান্তরিত করতে পারে। এমনও হতে পারে আমার নাবালিকা মেয়েকে বিদেশে পাচার করে দিতে পারে। আমার মেয়ে বেঁচে আছে কিনা তাও জানি না। ১৫ দিনে আমার মেয়েকে আসামীরা আটক রেখেছে।

বাদির দেওয়া আসামী শরিফ হোসেনর ফোনে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।


এমএইচকে/এমআর

বাংলাদেশ সময়: ১৬:৪৬:৫২ ● ৩৪১ বার পঠিত




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

আর্কাইভ