
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আকাশ ঘন মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে। মঙ্গলবার রাত ৯টা থেকে জেলার বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে।
লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর। ছোট-বড় ঢেউ তীরে আছড়ে পড়ছে। লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অফিস। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এ কারণে পটুয়াখালীর পায়রা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে মাছ ধরার ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
এদিকে পটুয়াখালী, খুলনা, বরিশাল, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো বা দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
জেলে আবদুর রহিম বলেন, ‘একদিকে এনজিওর ঋণের টাকা, এরপর বরফের সমস্যায় সাগরে যেতে পারছি না। এখন আবার সাগরে সংকেত। আমরা গরিবরা মনে হয় না খেয়ে মরে যাব।’
মহিপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমবায় সমিতির সাবেক সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. ফজলু গাজী বলেন, ‘বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ের কারণে বরফ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় জেলেরা সাগরে যেতে পারছেন না। এর মধ্যে আবার আবহাওয়া খারাপ। মৎস্য ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের কপালে এ বছর কী আছে, আল্লাহই ভালো জানেন। সব জেলেকে সতর্কতার সঙ্গে মাছ ধরতে বলা হয়েছে।’