
সাগরকন্যা প্রতিবেদক,আমতলী (বরগুনা)
বরগুনার তালতলীতে জমির দলিল চাইতে গিয়ে গৃহবধূ মোসা. কহিনুর বেগমকে কুপিয়ে ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তার দেবর, ভোলা জেলার তজুমদ্দিন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কর্মরত এএসআই মো. খলিলুর রহমানকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বুধবার আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন কহিনুর বেগম। বিচারক মো. ইফতি হাসান ইমরান মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে তালতলী থানাকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, কহিনুর বেগমের স্বামী ইসমাইল ঘরামী জীবিত অবস্থায় বাবার কাছ থেকে ৩৩ শতাংশ জমি কেনার জন্য ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। তবে তার মৃত্যুর পরও জমির দলিল বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত শনিবার সকালে জমির দলিল চাইতে গেলে হামেদ ঘরামী, তার ছেলে এএসআই খলিলুর রহমান ও তাদের সহযোগীরা কহিনুর বেগমের ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন।
কহিনুর বেগম অভিযোগ করে বলেন, জমির দলিল চাইতে যাওয়ায় তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। এমনকি তাকে হত্যারও চেষ্টা করা হয়েছে।
তবে এএসআই মো. খলিলুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।
তালতলী থানার ওসি মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর ভোলা জেলা পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ কাওছার বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট এএসআইয়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।