
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর)
বিয়ের আশ্বাস দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক, পরে মারধর ও ছিনতাই- এমন অভিযোগে পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় এক গৃহবধূর দায়ের করা মামলায় ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১২ বছর আগে ওই গৃহবধূর বিয়ে হয় এবং তার দুই সন্তান রয়েছে। সম্প্রতি তেলিখালী ইউনিয়নের জুনিয়া গ্রামের মাহফুজ আকনের সঙ্গে তার পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ সুযোগে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মাহফুজ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরে জীবিকার তাগিদে ভুক্তভোগী ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে কাজ নেন। গত ২৬ মার্চ মাহফুজ তার বাসায় গিয়ে ২৭ মার্চ পর্যন্ত অবস্থান করেন এবং আবারও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মাধ্যমে পুলিশ উভয়কে থানায় নেয়। পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মাহফুজের স্বজনরা তাকে ছাড়িয়ে নেয়। তাদের কথায় বিশ্বাস করে ভুক্তভোগী স্বামীকে তালাক দেন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় মাহফুজের বাড়িতে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে মারধর করে আহত করা হয় এবং নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে নির্যাতন শেষে সড়কের পাশে ফেলে রাখা হয়।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- মাহফুজ আকন, মিজান আকন, জাহাঙ্গীর আকন, আল আমিন হাওলাদার, হাসান, আনোয়ার হোসেন সেপাই, কাওছার খান, মনির আকন ও সাইফুল ইসলাম।
ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জগলুল হাসান জানান, অভিযোগটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।