
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, বাউফল (পটুয়াখালী)
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ঈদের ছুটির পাঁচ দিনে পৃথক ঘটনায় পানিতে ডুবে চারজন ও সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও থানা সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
২০ মার্চ শুক্রবার দুপুরে কালাইয়া ইউনিয়নের কর্পূরকাঠী গ্রামে মো. আব্দুল্লাহ (৪) নামে এক শিশুর পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়। সে ওই গ্রামের মো. মাঈনুদ্দিন মিয়ার ছেলে। পরিবারের সদস্যরা জানান, বাড়ির উঠানে খেলতে নেমে সবার অগোচরে পাশের পুকুরে পড়ে যায় শিশুটি। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরদিন ২১ মার্চ শনিবার ধুলিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বাবুল সিকদার (৬৫) নামে এক জেলে তেঁতুলিয়া নদীতে ডুবে নিখোঁজ হন। ২২ মার্চ রবিবার বেলা ১১টার দিকে ডুবুরিরা কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর গাজীর ঘাট এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবার জানায়, মাছ ধরা শেষে ভেসে যাওয়া নৌকা উদ্ধারের সময় প্রবল স্রোতে তিনি তলিয়ে যান।
একই দিন কালাইয়া ইউনিয়নের কালাইয়া গ্রামে মো. নাহিয়ান (১) নামে আরেক শিশুর পুকুরে পড়ে মৃত্যু হয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
২৩ মার্চ সোমবার শৌলা গ্রামে মো. আরাফাত (৮) নামে এক শিশুর খালে ডুবে মৃত্যু হয়। সে মামাবাড়িতে বেড়াতে এসে খালে পড়ে যায়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
একই দিন বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে লোহালিয়া-বাউফল সড়কের নওমালা এলাকায় তপন দাস (৪৫) নামে এক ব্যক্তির সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়। তিনি পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দশমিনা জোনাল অফিসের মিটার রিডার ছিলেন এবং তার বাড়ি বাগেরহাট জেলায়। ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরার পথে সিএনজিযোগে আসার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি টমটমের সঙ্গে সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। গুরুতর আহত সিএনজি চালককে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বাউফল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম পৃথক ঘটনায় নিহতের খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এসবের আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।