
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জ
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ৩২০ আসন (গোপালগঞ্জ)-এর এমপি সুবর্ণা সিকদার (ঠাকুর)।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। সেদিন সাধারণ মানুষ ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন। তাঁদের ঐক্যের শক্তিতে সৃষ্টি হয়েছিল নতুন সম্ভাবনা, যা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা রক্ষায় ভূমিকা রেখেছিল।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ৭ নভেম্বর জনতা ও সেনাসদস্যের সংহতির প্রতীক হয়ে আছে। দিনটি শুধু একটি ঐতিহাসিক তারিখ নয়, বরং জাতীয় ঐক্য ও আত্মমর্যাদার চেতনার উৎস।
সুবর্ণা সিকদার আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ ও ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ এই দুই মন্ত্র সামনে রেখে জাতিকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। ৭ নভেম্বরের শিক্ষাও একই। ব্যক্তি, দল ও গোষ্ঠীস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশকে অগ্রাধিকার দিলেই সংহতি অর্থবহ হবে। তরুণ প্রজন্মের মেধা, সাহস ও দেশপ্রেম কাজে লাগিয়ে মানবিক, উন্নত ও আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়তে হবে।
গোপালগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের পথে একসঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গোপালগঞ্জকে সমৃদ্ধ জনপদ এবং বাংলাদেশকে সবার জন্য নিরাপদ ও সম্ভাবনাময় দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, ‘জয় হোক ঐক্যের, জয় হোক বাংলাদেশের।’