গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা ঠেকাতে ৯ বিশাল পাথর ফেলল গ্রিনপিস

হোম » জেলে-মৎস্য » গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা ঠেকাতে ৯ বিশাল পাথর ফেলল গ্রিনপিস
শনিবার ● ৭ নভেম্বর ২০২৬


গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা ঠেকাতে ৯ বিশাল পাথর ফেলল গ্রিনপিসসাগরকন্যা ডেস্ক

 

ইংল্যান্ডের পূর্ব উপকূলে গভীর সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ৯টি বিশাল পাথর ফেলেছে পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিনপিস। সমুদ্রের তলদেশে ভারী জাল টেনে মাছ ধরার ক্ষতিকর পদ্ধতি বটম ট্রলিং বন্ধে এ উদ্যোগ নিয়েছে সংগঠনটি।

 

গ্রিনপিসের দাবি, এ পদক্ষেপের মাধ্যমে সাউদার্ন নর্থ সি মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়ার ১১৬ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে বটম ট্রলিংমুক্ত করা হয়েছে। রাজনীতিবিদদের সঙ্গে বছরের পর বছর বৈঠক করেও কার্যকর অগ্রগতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত অনুমতি ছাড়াই সমুদ্রে পাথর ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় তারা।

 

বটম ট্রলিং পদ্ধতিতে সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে ভারী জাল টেনে মাছ ধরা হয়। এতে পানির নিচের উদ্ভিদ, সামুদ্রিক প্রাণী ও তাদের আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গ্রিনপিসের তথ্যমতে, এ পদ্ধতিতে মাছ ধরার কারণে সামুদ্রিক প্রাণীদের খাদ্যসংকট তৈরি হচ্ছে। পাশাপাশি ট্রলিংয়ের শব্দদূষণে ডলফিন ও হাঙরের মতো দেখতে সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণী পারপয়েসের শিকার করার ক্ষমতাও ব্যাহত হচ্ছে।

 

এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের পরিবেশ, খাদ্য ও পল্লিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষায় দেশটিতে কঠোর আইন রয়েছে। সমুদ্রে সব ধরনের কর্মকাণ্ড আইন মেনে পরিচালনা করা উচিত। একই সঙ্গে সমুদ্র ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

 

ওই মুখপাত্র আরও জানান, ইতিমধ্যে ১০০টির বেশি এলাকায় ক্ষতিকর মাছ ধরার পদ্ধতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সামুদ্রিক পরিবেশ সুরক্ষায় সরকার আরও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করছে।

 

গ্রিনপিস জানিয়েছে, প্রতিটি পাথরের ওজন প্রায় দুই টন। পাথরগুলো ফেলার পর সেগুলোর অবস্থান সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তথ্য দিয়েছে সংগঠনটি। যাতে সমুদ্রের মানচিত্র হালনাগাদ করে অন্য জাহাজগুলোকে সতর্ক করা যায়। মেরিন ম্যানেজমেন্ট অর্গানাইজেশনও পাথরগুলোর অবস্থানের বিবরণ প্রকাশ করেছে।

 

এর আগে ২০২২ সালে কর্নওয়াল উপকূলেও একই উদ্দেশ্যে ১৮টি পাথর ফেলেছিল গ্রিনপিস।

বাংলাদেশ সময়: ১০:৫৭:২৩ ● ৩০ বার পঠিত




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

আর্কাইভ