
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, কুয়াকাটা (পটুয়াখালী)
পটুয়াখালীর মহিপুর থানাধীন আলীপুর সোহেলা হল সড়কের প্রায় ৬০০ ফুট অংশের নির্মাণকাজ ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কটির নির্মাণকাজে ধারাবাহিকতা না থাকায় প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বচ্ছতা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সড়কের শুরু থেকে প্রায় ১০০ ফুট অংশ ইতোমধ্যে পাকা করা হয়েছে। তবে বাকি অংশ ধারাবাহিকভাবে নির্মাণ না করে মাঝামাঝি অংশ থেকে আবারও পাকা করার কাজ শুরু হয়েছে। এ কারণে এলাকাবাসীর মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সাধারণত সড়ক নির্মাণ এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন করা হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সেই নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। এতে প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম বা দুর্নীতির আশঙ্কা করছেন অনেকেই।
তাদের দাবি, প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যক্তির বাড়ির সামনের অংশকে অগ্রাধিকার দিয়ে সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। ফলে রাস্তার বাকি অংশ দীর্ঘদিন ধরে অপরিকল্পিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ বাড়ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে অসম্পূর্ণ অংশে পানি জমে কাদার সৃষ্টি হওয়ায় স্কুলগামী শিক্ষার্থী, বয়স্ক ব্যক্তি ও অসুস্থ মানুষের চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে সড়ক নির্মাণকাজের ঠিকাদার আসাদুজ্জামান অপু বলেন, স্কিম যেভাবে হাতে পেয়েছি, সেভাবেই কাজ শুরু করেছি। এ বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। আমি এসে সরাসরি কথা বলবো।
লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে এলজিইডির প্রকৌশলী সায়েম খানের সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত সঠিক পরিকল্পনা অনুযায়ী পুরো সড়কের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো অনিয়ম বা পক্ষপাতিত্ব হয়ে থাকলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।