পটুয়াখালীতে পাওনা টাকা চাওয়ায় চা দোকানীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

হোম পেজ » লিড নিউজ » পটুয়াখালীতে পাওনা টাকা চাওয়ায় চা দোকানীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
বুধবার ● ২৫ মার্চ ২০২৬


 

পটুয়াখালীতে পাওনা টাকা চাওয়ায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, পটুয়াখালী

পটুয়াখালী সদর উপজেলায় চায়ের দোকানের পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে রহিম প্যাদা (৬৫) নামে এক চা দোকানীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আবাসন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর অবস্থায় তাকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মো. জাকের হোসেন বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।’

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রহিম প্যাদা দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় চায়ের দোকান পরিচালনা করে আসছিলেন। অভিযুক্ত কামাল হাওলাদার তার দোকান থেকে বাকিতে খেতেন। ঘটনার দিন রাতে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে কামাল হাওলাদারসহ কয়েকজন মিলে তাকে লাঠিসোটা দিয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

নিহতের বড় মেয়ে নাজমা সাগরকন্যার এ প্রতিবেদককে অভিযোগে বলেন, ‘কামাল হাওলাদার, জামাল হাওলাদার, নুর ইসলাম হাওলাদার, খোকন হাওলাদার ও শাহাবুদ্দিন তালুকদার মিলে আমার বাবাকে মারধর করে। ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে লাঠি দিয়ে আঘাত করে। ঘটনাস্থলেই আমার বাবার মৃত্যু হয়।’

প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে নিহতের নাতনী সালমা বলেন, ‘এর আগেও টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে আমার নানাকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। ঘটনার রাতে তাকে মারধর করে ফেলে দেওয়া হয়, সেখানেই তিনি মারা যান।’

নিহতের ছোট মেয়ে তানজিলা বলেন, ‘আমার বাবা একাই দোকান চালাতেন। আমরা বাইরে থাকার সুযোগ নিয়ে তাকে মারধর করা হয়েছে। আমরা এর কঠোর বিচার চাই।’

এ ঘটনায় অভিযুক্তরা পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট সম্পন্ন করে ময়না তদন্তের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বাংলাদেশ সময়: ১৫:৪৪:২৭ ● ২১ বার পঠিত




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

আর্কাইভ