
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, বরগুনা
নির্বাচনের ১৬ ঘণ্টা আগে বুধবার বিকেলে বরগুনার বেতাগী উপজেলার বেতাগী সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী সভাপতি মো. দুলাল হোসেনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
জামায়াত নেতাদের অভিযোগ, বুধবার বিকেলে বেতাগী বাসস্ট্যান্ড এলাকার আব্বাসের চায়ের দোকানের সামনে মো. দুলাল হোসেনের (৬০) ওপর ছাত্রদলের ৩-৪ জন নেতাকর্মী অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তাকে কিল-ঘুষি মেরে আহত করা হয় এবং তার কাছ থেকে নির্বাচনী এজেন্ট সংক্রান্ত ডায়েরি, কাগজপত্র ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
বেতাগী উপজেলা জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি প্রভাষক মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, আমার বাবার বয়সী একজন মানুষকে বিএনপির নেতা রুমন ও নাইমসহ আরও কয়েকজন মিলে মারধর করে আহত করেছে। তার কাছ থেকে ভোটকেন্দ্রের এজেন্ট সংক্রান্ত কাগজপত্র ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।
উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা সাইদুল ইসলাম সোহরাব বলেন, নির্বাচনের সময় আমরা যাতে এজেন্ট দিতে না পারি, সেজন্য পরিকল্পিতভাবে বিএনপির কিছু সন্ত্রাসী নেতাকর্মী এ হামলা চালিয়েছে।
তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান। পাশাপাশি নির্বাচনকালীন সময়ে সকল নেতাকর্মীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
অভিযোগ অস্বীকার করে বরগুনা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি মো. রুমন খান বলেন, এটি একটি সাজানো নাটক। বিএনপি প্রার্থী নূরুল ইসলাম মনি’র ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এমন অভিযোগ আনা হয়েছে।
বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।