
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, বরগুনা
বরগুনার আমতলীতে ধানখেতে ঘাস কাটতে গিয়ে এক গৃহবধূ যৌন হয়রানি ও হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাঁকে কোদালের বাঁট দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয় এবং হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পাশা মোল্লা (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে তাঁকে আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে পাঠানো হয়েছে। আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ৭ নভেম্বর সকালে উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী গৃহবধূর বাবা মো. আনোয়ার মোল্লা বাদী হয়ে আমতলী থানায় মামলাটি করেন।
এজাহারে বলা হয়েছে, পাশা মোল্লা একই গ্রামের বাসিন্দা এবং ওই গৃহবধূর শ্বশুরবাড়ির প্রতিবেশী। গৃহবধূর স্বামী আহাদ চৌকিদারের সঙ্গে স্থানীয় বিষয় নিয়ে তাঁর বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে আহাদ চৌকিদারসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলাও করেছিলেন পাশা মোল্লা।
অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার দিন সকালে গরুর জন্য ঘাস সংগ্রহ করতে বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দক্ষিণে একটি ধানখেতে যান ওই গৃহবধূ। সেখানে নিজের জমিতে ঘাস কাটছিলেন পাশা মোল্লা। গৃহবধূকে একা পেয়ে তিনি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। এর প্রতিবাদ করলে হাতে থাকা কোদালের বাঁট দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করেন। এতে তাঁর মাথার তালু ও কপাল জখম হয়। পরে তাঁকে জাপটে ধরে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে যৌন হয়রানি করেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় গৃহবধূর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে পাশা মোল্লা পালিয়ে যান।
আমতলী থানার ওসি মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, গৃহবধূর বাবার দায়ের করা মামলায় পাশা মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।