
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, পটুয়াখালী
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় ঘুমন্ত অবস্থায় সিল-পাটা দিয়ে মাথায় আঘাত করে বাবা উত্তম দেবনাথকে (৬০) হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার ছেলে তাপস দেবনাথের (৩৫) বিরুদ্ধে। শুক্রবার ভোররাতের দিকে উপজেলার দেউলি সুবিদখালী ইউনিয়নের পূর্ব সুবিদখালী (লঞ্চঘাট এলাকা) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর অভিযুক্ত তাপসকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত উত্তম দেবনাথ পূর্ব সুবিদখালী গ্রামের মহেন্দ্র দেবনাথের ছেলে। তিনি পেশায় দিনমজুর ছিলেন।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে খাবার খেয়ে উত্তম দেবনাথ ও তার ছেলে তাপস নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। উত্তম দেবনাথের স্ত্রী কানন দেবনাথ ঘরের পেছনের বারান্দায় ছিলেন। রাত ৪টার দিকে তাপস ঘুম থেকে উঠে ঘরে থাকা সিল-পাটা দিয়ে উত্তম দেবনাথের কপালের ডান পাশের ভ্রুর ওপর আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
আঘাতের পর উত্তম দেবনাথ চিৎকার দিলে কানন দেবনাথ ঘরে গিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে উত্তম দেবনাথকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোশারেফ হোসেন থানায় অবহিত করলে পুলিশ শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। একই সময় ঘটনাস্থল থেকে তাপস দেবনাথকে আটক করা হয়।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পন্ন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে তাপস দেবনাথকে আটক করা হয়েছে।’
ঘটনার কারণ এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রমের বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।