
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, কুয়াকাটা (পটুয়াখালী)
কুয়াকাটার কচ্ছপখালী এলাকায় ছাগল দিয়ে ফসল নষ্ট করাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তদের মধ্যে কুয়াকাটা পৌর কৃষকদলের আহ্বায়ক ও তার দুই ছেলে রয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মহিপুর থানার কচ্ছপখালী এলাকার বাসিন্দা তানিম হোসেন তার পৈত্রিক জমিতে মুগডালের চাষ করে আসছেন। তার দাবি, প্রতিবেশী আলী হোসেন খন্দকারের ছাগল প্রায়ই তার জমিতে ঢুকে ফসল নষ্ট করছিল। বিষয়টি একাধিকবার জানানো হলেও কোনো প্রতিকার পাননি তিনি।
গত ১২ এপ্রিল বিকেলে একটি ছাগল তার জমিতে ফসল নষ্ট করলে সেটি ধরে নিজের বাড়িতে বেঁধে রাখেন তানিম হোসেন। পরদিন সকালে ছাগলের মালিক পক্ষের এক নারী সেখানে এসে ছাগল নিয়ে যাওয়ার সময় তাকে গালিগালাজ ও হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এরপর একই দিন সকাল ১০টার দিকে আলী হোসেন খন্দকার, তার দুই ছেলে সাব্বির ও সম্রাটসহ অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জন লাঠি, রড ও হাতুড়ি নিয়ে তানিম হোসেনের বাড়িতে গিয়ে তাকে খুঁজতে থাকে। এ সময় তাকে পেলে মারধর ও গুম করার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
ভুক্তভোগী তানিম হোসেন বলেন, ‘আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তারা যেকোনো সময় আমার ক্ষতি করতে পারে।’
অভিযোগের বিষয়ে আলী হোসেন খন্দকার বলেন, বিষয়টি থানার মাধ্যমে সমাধান হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি ভিন্ন একটি ঘটনার বলে দাবি করেন তিনি।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামীম হাওলাদার বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আলী হোসেন খন্দকার কুয়াকাটা পৌর কৃষকদলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।