
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, আমতলী (বরগুনা)
আমতলীতে ভূমি অপরাধ ও প্রতিরোধ আইনের একটি মামলায় ঘুষ না দেওয়ায় তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে মিথ্যা প্রতিবেদন দিয়েছেন-এমন অভিযোগ করেছেন মামলার আসামি আব্দুল মান্নান আকন।
শুক্রবার বিকেলে আমতলী সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগে তিনি জানান, গাজীপুর পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন ইনচার্জ ও তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (নি.) রনজিৎ কুমার সরকার তার কাছে এক লাখ টাকা ঘুস দাবি করেন। ঘুস দিতে রাজি না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি সরেজমিন তদন্ত না করেই মিথ্যা প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন বলে অভিযোগ।
অভিযোগে বলা হয়, আমতলী উপজেলার সোনাখালী গ্রামের আব্দুল মান্নান আকনের দাদা নজুমুদ্দিন আকন প্রায় ৭০ বছর আগে একই এলাকার আসমত আলী মৃধা ও বেলায়েত আলী মৃধার কাছ থেকে ৩০১ নম্বর খতিয়ানের ৪৫৭ নম্বর দাগে ২ একর ৪ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। ওই জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন আব্দুল মান্নান আকন। গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর জমির একটি অংশ দাবি করে সামসুল হক মৃধা ও সাফিয়া বেগম আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভূমি অপরাধ ও প্রতিরোধ আইনে দুটি মামলা করেন। আদালত মামলাগুলোর তদন্তভার গাজীপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রনজিৎ কুমার সরকারকে দেন।
আব্দুল মান্নান আকন অভিযোগ করে বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা আমাকে ডেকে এক লাখ টাকা ঘুস দাবি করেন। আমি রাজি না হওয়ায় তিনি আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করতে মিথ্যা প্রতিবেদনের মাধ্যমে মামলায় জড়িয়েছেন। তিনি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে গাজীপুর পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক ইনচার্জ রনজিৎ কুমার সরকার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি বর্তমানে খুলনা পুলিশ লাইনে বদলি হয়েছেন এবং মামলার ক্ষেত্রে তিনি সঠিক তদন্ত প্রতিবেদনই দাখিল করেছেন।