খালেদা জিয়ার জানাজায় মিলেছিল পুরো বাংলাদেশ: এবিএম মোশাররফ

হোম পেজ » রাজনীতি » খালেদা জিয়ার জানাজায় মিলেছিল পুরো বাংলাদেশ: এবিএম মোশাররফ
সোমবার ● ৫ জানুয়ারী ২০২৬


 

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সারা বাংলাদেশ যেন এক জায়গায় মিলিত হয়েছিল: এবিএম মোশাররফ

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, কুয়াকাটা (পটুয়াখালী)

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক ও পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী-মহিপুর) আসনে দলের মনোনীত প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেন বলেছেন, একজন মানুষ মৃত্যুর পর এতটা জনপ্রিয় হতে পারেন- এর নজির শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বেও বিরল। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সারা বাংলাদেশ যেন এক জায়গায় মিলিত হয়েছিল। তাঁর জানাজার দিন পুরো ঢাকা শহরই যেন একটি জানাজাস্থলে পরিণত হয়েছিল; সেদিন দল-মত ও আদর্শের সব ভেদাভেদ মিলিয়ে গিয়েছিল।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) শেষ বিকেলে মহিপুর থানা বিএনপির উদ্যোগে ৪৮নং মহিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী সদ্য প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় আয়োজিত শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির নেত্রী ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের একজন অভিভাবক। এমনকি তাঁর জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক মতের মানুষ অংশ নিয়েছে, যা তাঁর গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ।

এবিএম মোশাররফ হোসেন বলেন, খালেদা জিয়া জীবদ্দশায় বলেছিলেন- বাংলাদেশের বাইরে তাঁর কোনো ঠিকানা নেই; এই মাটিতেই জন্ম ও মৃত্যুবরণ করতে চান। আল্লাহ তাআলা তাঁর সেই ইচ্ছা কবুল করেছেন। ফখরুদ্দিন-মঈন উদ্দিন সরকারের সময়েও তিনি দেশ ছাড়েননি, কারণ এই দেশের মানুষই তাঁকে গৃহবধূ থেকে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নারীদের বাদ দিয়ে কোনো জাতি উন্নত হতে পারে না- এই দর্শন থেকেই তিনি মেয়েদের লেখাপড়া বিনামূল্যে করেন ও উপবৃত্তি চালু করেন। আজ নারীদের কর্মজীবী অগ্রযাত্রার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। একই সঙ্গে দেশের অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি- গার্মেন্টস শিল্প, জনশক্তি রপ্তানি ও ভ্যাট ব্যবস্থার সঙ্গে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার অবদান অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, একদলীয় শাসনের অবসান ঘটিয়ে তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেন এবং জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করান। স্থানীয় উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কলাপাড়া, হাজিপুর ও মহিপুরের সেতুগুলো নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া- এই স্থাপনাগুলো যতদিন থাকবে, ততদিন মানুষ তাঁকে স্মরণ করবে।

শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুল জলিল হাওলাদার এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ। সভা শেষে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ সময়: ২০:৪৮:০৩ ● ১১৩ বার পঠিত




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

আর্কাইভ