সর্বশেষ
আমতলী-কুয়াকাটা মহাসড়ক চার লেন দাবিতে গণঅনশন, দ্বিতীয় দিনেও সরকারি সাড়া নেই সভাপতি শাহ আলম, সম্পাদক আউয়াল পিরোজপুরে আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন ভাণ্ডারিয়ায় চুরির দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত এলাকাবাসীর কলাপাড়ার নাওভাঙা খাল ইজারা ঘিরে সেচ সংকটের শঙ্কা, উদ্বেগে শতাধিক কৃষক পরিবার দুমকিতে সূর্যমুখী চাষে সম্ভাবনা, বাড়ছে আবাদ সুন্দরবনে অপহৃত দুই জেলে উদ্ধার, অস্ত্র-গোলাবারুদসহ বনদস্যু আটক মেহেন্দিগঞ্জে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা, অভিভাবকদের ক্ষোভ শার্শার উলাশীতে জিয়া খাল পুনঃখনন উদ্বোধন ঘিরে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শন

কুয়াকাটার গঙ্গামতির সংরক্ষিত বন দখলে প্রভাবশালীরা, বন বিভাগের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

হোম » কুয়াকাটা » কুয়াকাটার গঙ্গামতির সংরক্ষিত বন দখলে প্রভাবশালীরা, বন বিভাগের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ
মঙ্গলবার ● ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫


গঙ্গামতির সংরক্ষিত বন দখলে প্রভাবশালীরা, বন বিভাগের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, কুয়াকাটা (পটুয়াখালী)

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন চর গঙ্গামতির সংরক্ষিত বনের অর্ধেকের বেশি এলাকা দখল করে নেওয়া হয়েছে। গাছ কেটে জমি ভরাট করা হচ্ছে। সেখানে কৃষিজমি, বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে। এতে পরিবেশ ও বন্যপ্রাণীর জীববৈচিত্র্য হুমকিতে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বেলাল শরীফ, ইয়ামিন শরীফ, আল-আমিন শরীফ ও মন্নান শরীফের নেতৃত্বে এই দখলকারীরা বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশ করে কার্যক্রম চালাচ্ছেন। বন বিভাগ থেকে মাঝে মাঝে মামলা হলেও প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

স্থানীয় জেলে সোবাহান মাঝি জানান, ‘বন বিভাগের স্যারদের নির্দেশে গাছের ডাল কেটেছি।’ স্থানীয়রা বলছেন, বন কর্মকর্তাদের টাকা দিলে গাছ কেটে নেওয়ার কোনো বাধা নেই। অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও বন বিভাগ কার্যকর পদক্ষেপ নেনি।

অভিযুক্ত আল-আমিন শরীফ দাবি করেন, “আমাদের কোনো জমি নেই। কে বা কারা গাছ কাটছে, তা আমি জানি না।”

উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের (উপরা) সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান মিরাজ বলেন, “গঙ্গামতির বন পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রকৃতি, মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সুরক্ষার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।”

চর গঙ্গামতি বিট কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। স্থানীয়দের সতর্ক করা হয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।”

মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা কে. এম. মনিরুজ্জামানও একই কথা বলেন এবং প্রতিবেদনের প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান।

বাংলাদেশ সময়: ১৯:০৫:৩৭ ● ২৬৪ বার পঠিত




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

আর্কাইভ