
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, আমতলী (বরগুনা)
বরগুনার আমতলী পৌর শহরের চৌরাস্তা ও সরকারি কলেজের সামনের সড়কসংলগ্ন ১৪৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। রবিবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়। তবে উচ্ছেদের আগে নোটিশ না দেওয়ার অভিযোগ করেছেন কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী। অন্যদিকে পৌর কর্তৃপক্ষের দাবি, স্থাপনা অপসারণের জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।
জানা গেছে, আমতলী পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন অনেকে। এসব স্থাপনার কারণে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল। জনসাধারণের নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে রবিবার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক হাসান মো. হাফিজুর রহমান। পরে সন্ধ্যায় পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ১৪৫টি স্থাপনা উচ্ছেদ করে।
উচ্ছেদে ক্ষতিগ্রস্ত শহিদুল চৌকিদার, শাহ আলম, জাহাঙ্গীর হোসেন ও শহীদ কবিরাজ অভিযোগ করে বলেন, তাঁদের কোনো নোটিশ না দিয়েই পৌরসভা কর্তৃপক্ষ স্থাপনা ভেঙে ফেলেছে। এতে তাঁদের মালামাল সরিয়ে নেওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়েছে।
আমতলী পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মামুনুর রশিদ বলেন, ১৪৫টি অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দখলকারীরা স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় সেগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, মানুষ ও যানবাহন নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতেই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।