মঠবাড়িয়ায় ৪৩ ভোটকেন্দ্রের সিসি ক্যামেরার বরাদ্দ না পাওয়ায় বিপাকে প্রধান শিক্ষকরা

হোম » পিরোজপুর » মঠবাড়িয়ায় ৪৩ ভোটকেন্দ্রের সিসি ক্যামেরার বরাদ্দ না পাওয়ায় বিপাকে প্রধান শিক্ষকরা
শুক্রবার ● ১২ জুন ২০২৬


মঠবাড়িয়ায় ৪৩ ভোটকেন্দ্রের সিসি ক্যামেরার বরাদ্দ না পাওয়ায় বিপাকে প্রধান শিক্ষকরা

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, পিরোজপুর

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে স্থাপিত সিসি ক্যামেরার বরাদ্দ এখনো না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকরা।

নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে কমপক্ষে ৬টি করে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য সরকারি বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে ঝুঁকিপূর্ণ তালিকার বাইরে থাকা কেন্দ্রগুলোতে স্থানীয়ভাবে ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশনা থাকলেও অর্থায়ন ও পরবর্তী বিল পরিশোধ নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা।

জানা গেছে, ওই ৪৩টি কেন্দ্রের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা গত ১৭ মে স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে লিখিত আবেদন করেন। সংসদ সদস্য বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তার নিজস্ব বরাদ্দ থেকে বিল পরিশোধ করা যায় কিনা তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে যাচাই করে দেখার পরামর্শ দেন।

নির্বাচনের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশনায় ঝুঁকিপূর্ণ ও অঝুঁকিপূর্ণ-উভয় ধরনের ভোটকেন্দ্রেই সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর জন্য আলাদা বরাদ্দ থাকলেও ঝুঁকির বাইরে থাকা কেন্দ্রগুলোতে স্থানীয় প্রশাসনের নিজস্ব অর্থায়নে ক্যামেরা স্থাপনের কথা বলা হয়। তবে বাস্তবে প্রধান শিক্ষকদের মাধ্যমে ক্যামেরা স্থাপন করানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

পরবর্তীতে শিক্ষকরা একাধিকবার উপজেলা শিক্ষা অফিস ও ইউএনও অফিসে যোগাযোগ করেও বরাদ্দ না পেয়ে হতাশ হন।

একাধিক প্রধান শিক্ষক জানান, হঠাৎ নির্দেশনার কারণে অনেকেই ধারদেনা করে প্রতিটি কেন্দ্রে ৪০ হাজার টাকা করে খরচ করে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছেন। এখন বরাদ্দ না থাকলে এই ব্যয় ব্যক্তিগতভাবে বহন করতে হওয়ায় তারা উদ্বেগে আছেন।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) আরিফুজ্জামান বলেন, স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশে প্রধান শিক্ষকদের মাধ্যমে ক্যামেরা স্থাপন করানো হয়েছে। এখন বিল পরিশোধ না হওয়ায় আমরা বিব্রত অবস্থায় আছি।

মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার বলেন, তাদেরকে তখন বলা হয়েছিল বরাদ্দ এলে তারা পাবেন। বরাদ্দ আসবে-এমন কোনো নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি।

পিরোজপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আবদুল মান্নান জানান, বিষয়টি আগামী জেলা সমন্বয় সভায় আলোচনা করা হবে। তিনি বলেন, একে অপরকে দোষারোপ না করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।


আরএইচএম/এমআর

বাংলাদেশ সময়: ২০:১২:৫৬ ● ১১ বার পঠিত




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

আর্কাইভ