
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, বাগেরহাট
সড়ক দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহতের ঘটনায় মোংলায় চলছে শোকের মাতম কাছে হস্তান্তরের পর লোকজনের মধ্যে চলছে আহাজারি। রাজ্জাকের বড় ছেলে জনি তার দুই ছেলে স্ত্রী ও বাবাকে হারিয়ে পাথর হয়ে গেছে।
খুলনার কয়রার নববধূ মিতুর বিয়ে হয়েছিল মোংলা সাব্বিরের সাথে। ঘর করবে, জীবন সাজাবে, তা আর হলোনা। সড়কে বাস দুর্ঘটনায় কেড়ে নিল তার প্রাণ। বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে নিজ বাড়ি ফেরার পথে বাগেরহাটের রামপালে মাইক্রোবাস ও নৌবাহিনীর বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে বর- নববধূসহ ১৪ জন নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার খুলনা-মোংলা মহাসড়কের বেলাই ব্রিজের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
রাত ১ টার দিকে রাজ্জাক ও একটি শিশুর লাশ মোংলা এসে পৌঁছায়।এরপর রাত সাড়ে তিনটায় আরো ৭ জনের লাশ নিয়ে আসা হয় এর আগে পুলিশের পক্ষ থেকে লাশগুলো হস্তান্তর করে।
লাশ পৌঁছানোর পর থেকে শোকের মাধ্যম চলছে ।কান্না চারিপাশ ভারী হয়ে ওঠে। সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আঃ রাজ্জাক , তার ২ ছেলে, ১মেয়ে, ১ জামাই , ৪ নাতি , ১ ড্রাইভার নিহত হয়।এছাড়া নববধূ মিতু, তার দাদি, নানি ছোট ছোট বোন নিহত হয়। হাসপাতালে এখনো একজন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
নিহত রাজ্জাকের স্ত্রী আঞ্জুমান আরা ও ৩ ছেলে বাড়িতে থাকায় তারা ছাড়া সবাই নিহত হয়েছেন। একসঙ্গে একই পরিবারের এতজনের মৃত্যুতে মোংলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকস্তব্ধ স্বজন ও প্রতিবেশিরা।
মোংলা পৌর বিএনপির ৮ নং ওয়ার্ড শাখার সভাপতির আবদুর রাজ্জাকের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
এদিকে একসঙ্গে একই পরিবারের এতজনের মৃত্যুতে মোংলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকস্তব্ধ স্বজন ও প্রতিবেশিরা।
এমই/এমআর