
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, চরফ্যাশন (ভোলা)
ভোলার লালমোহনের রমাগঞ্জে ৯ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় নুরানী মাদরাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম নাঈম (২৮), তিনি একই এলাকার মো. হেলালের ছেলে।
ভিকটিমের পরিবার জানিয়েছে, নাইম তাদের বাড়ির দরজার একটি নুরানী মাদসায় শিক্ষকতা করেন। বর্তমানে চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে।
ধর্ষিতার বড় বোনের অভিযোগ, চড়ুইভাতি খাওয়ার জন্য তার শিশুপুত্রের সাথে লাকড়ি কুড়াতে বাড়ির পাশের পুকুর পাড়ে যায় শিশুটি। এসময় প্রতিবেশী নাঈম এসে সাথে থাকা শিশুটিকে ধমক দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। এরপর আড়ালে নিয়ে তার ৯ বছরের বোনকে ধর্ষণ করে এবং কাউকে না জানানোর হুমকি দেয় নাঈম। ছাড়া পেয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফেরে শিশুটি। ততক্ষণে রক্ষক্ষরণ হলে প্রতিবেশিদের সহায়তায় শিশুটিকে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চরফ্যাশন ১০০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মাখলুকুর রহমান সাগরকন্যাকে বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে ৯ বছরের এক শিশুকন্যাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে নমুনা সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে। শিশুটি বর্তমানে শঙ্কামুক্ত।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোন অভিযোগ আসেনি। ভুক্তভোগীর সাথে আরেকটি শিশু ছিল এবং ওই শিশুকে ছবি দেখানোর পর সে শিক্ষক নাঈমকে চিহ্নিত করেছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে আমরা ছায়া তদন্ত করছি এবং অভিযুক্তকে ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।