
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত এক শিক্ষক নিজের জীবনের নিরাপত্তা ও মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বৈদ্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক মো. সোবাহান মুন্সি। সোমবার বেলা ১১টায় কলাপাড়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট ফোরামে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্যে সোবাহান মুন্সি বলেন, তার ছোট ভায়রার ছেলে আরিফুর রহমান চার বছর ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। এ বছরের শুরুতে তিনি নাতি সিফাতকে আরিফুরের কাছে পাঠানোর প্রস্তুতি নেন। এ সময় তার ছাত্র মো. মামুন সিকদার বিদেশে যাওয়ার অনুরোধ জানান। সরল বিশ্বাসে তিনি আরিফুরের সঙ্গে কথা বলে মামুনেরও ভিসার ব্যবস্থা করেন। মোট ৫ লাখ টাকায় ভিসা ও আকামার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। মামুন ধাপে ধাপে টাকাগুলো পরিশোধ করেন।
চলতি বছরের ২৫ জুন মামুন ও সিফাত একসঙ্গে সৌদি আরবে পৌঁছান। আট দিনের মধ্যে মামুনের কাজ ও আকামার ব্যবস্থা হয়। কিন্তু কাজের গরম ও পরিশ্রম সহ্য করতে না পেরে মামুন কাজ ছেড়ে দেন এবং দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
সোবাহান মুন্সির অভিযোগ, এরপর মামুনের পরিবার তাকে ও সৌদিতে থাকা আরিফুর রহমানকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকে। পরে আরিফুর মানবিক কারণে নিজের খরচে মামুনের দেশে ফেরার ব্যবস্থা করেন। দেশে ফিরে মামুন টাকা ফেরত দাবি করে ব্যর্থ হয়ে কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মিথ্যা মামলা (নম্বর ৭৫১/২৫) দায়ের করেন।
সোবাহান মুন্সি বলেন, মামুন পূর্বে তার কাছ থেকে বন্ধক রাখা তিন শতক জমির টাকাও পরিশোধ করেননি। এখন উল্টো তার ও আরিফুরের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে মামুন সিকদারের ব্যবহৃত ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।