লেবুখালী ইউনিভার্সিটি স্কয়ারে যুদ্ধ বিমান ফেরানোর উদ্যোগ, পরিদর্শনে বিমান বাহিনীর টিম

হোম » পটুয়াখালী » লেবুখালী ইউনিভার্সিটি স্কয়ারে যুদ্ধ বিমান ফেরানোর উদ্যোগ, পরিদর্শনে বিমান বাহিনীর টিম
শুক্রবার ● ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


 

লেবুখালী ইউনিভার্সিটি স্কয়ারে যুদ্ধ বিমান ফেরানোর উদ্যোগ, পরিদর্শনে বিমান বাহিনীর টিম

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, দুমকি (পটুয়াখালী)

 

একসময় লেবুখালীর পাগলা গোলচত্বরের পরিচিতি ছিল একটি যুদ্ধ বিমানকে ঘিরে। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে স্থাপিত সেই যুদ্ধ বিমান সরিয়ে নেওয়ার পর বদলে যায় চেনা দৃশ্য। এবার একই স্থানে যুদ্ধ বিমানটি পুনঃস্থাপনের উদ্যোগে সরেজমিনে কারিগরি পরিদর্শন করেছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি দল।

 

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে স্কোয়াড্রন লিডার রাওসাব তিমামের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের দলটি লেবুখালীর ইউনিভার্সিটি স্কয়ার পরিদর্শন করে। এ সময় যুদ্ধ বিমান পুনঃস্থাপনের সম্ভাব্য স্থান, স্থাপনা, নিরাপত্তা ও কারিগরি বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা হয়।

 

পরিদর্শনের আগে বিমান বাহিনীর সদস্যরা পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোহাম্মদ জামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

 

পরে দলটি যুদ্ধ বিমান পুনঃস্থাপনের জন্য নির্ধারিত স্থান ঘুরে দেখে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্থান নির্বাচন, ভিত্তি নির্মাণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণসহ প্রয়োজনীয় কারিগরি বিষয় পর্যালোচনা করে বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে সুপারিশ দেওয়া হবে।

 

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, যুদ্ধ বিমানটি পুনঃস্থাপন করা হলে এটি শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি পুরো এলাকার মানুষের জন্য একটি আকর্ষণীয় স্থাপনা হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ও পরিচয়ের প্রতীক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

উল্লেখ্য, ২০০১ থেকে ২০০৬ মেয়াদে তৎকালীন বিএনপি সরকারের সময়ে পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সহযোগিতায় লেবুখালীর পাগলা গোলচত্বরে একটি যুদ্ধ বিমান স্থাপন করা হয়। পরে এটি পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এয়ারো সাইন’ হিসেবে পরিচিতি পায়। এ কারণে স্থানটি ‘ইউনিভার্সিটি স্কয়ার’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠে।

 

পরে পায়রা সেতু নির্মাণের সময় সড়ক উন্নয়নের স্বার্থে যুদ্ধ বিমানটি সরিয়ে নেওয়া হয়। দীর্ঘদিন পর একই স্থানে বিমানটি পুনঃস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যেও নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৬:১৫:১৩ ● ২০ বার পঠিত




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

আর্কাইভ