দশমিনায় তেঁতুলিয়া-বুড়া গৌরাঙ্গ নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করলেন ইউএনও

হোম » পটুয়াখালী » দশমিনায় তেঁতুলিয়া-বুড়া গৌরাঙ্গ নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করলেন ইউএনও
সোমবার ● ৪ মে ২০২৬


 

দশমিনায় তেঁতুলিয়া-বুড়া গৌরাঙ্গ নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করলেন ইউএনও

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, দশমিনা (পটুয়াখালী)

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার তেঁতুলিয়া ও বুড়া গৌরাঙ্গ নদীর তীব্র ভাঙনকবলীত এলাকা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ হাসান মৃধা। সোমবার দুপুরে তিনি উপজেলার হাজীর হাট লঞ্চঘাট এলাকায় গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, তেঁতুলিয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা চরে অপরিকল্পিতভাবে বনায়ন করায় নদীর স্বাভাবিক স্রোত বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে প্রতি বছর বর্ষা ও গ্রীষ্মের শুরুতে ভাঙনের মাত্রা বাড়ছে এবং উপজেলার তীরবর্তী বসতভিটা ও ফসলি জমি দ্রুত নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি নতুন নতুন চর জেগে ওঠায় দ্বীপচরের সংখ্যাও বাড়ছে। ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত বহু পরিবার ইতোমধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলেও এলাকাবাসী ইউএনওকে অবহিত করেন।

 

তারা আরও জানান, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে ভাঙনের তীব্রতা অনেক বেশি। প্রতিদিনই ফসলি জমি ও ভেড়িবাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে।

 

পরিদর্শন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তেঁতুলিয়া ও বুড়া গৌরাঙ্গ নদীর ভাঙনে বহু বসতবাড়ি বিলীন হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হবে। দ্রুতই ভাঙনরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সামর্থ্যবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান ইউএনও।

 

এ বিষয়ে পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল হক নূর বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডকে আগেই বিষয়টি জানানো হয়েছে। আশা করছি বর্ষা মৌসুমে দ্রুত ভাঙনরোধে কাজ শুরু হবে। তবে টেকসই বাঁধ নির্মাণের জন্য শুকনো মৌসুম প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৬:৫২:১২ ● ৪৫ বার পঠিত




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

আর্কাইভ