ক্ষমতার ক্যারিশমা বনাম ভুল পাওয়ারের চশমা

প্রথম পাতা » মুক্তমত » ক্ষমতার ক্যারিশমা বনাম ভুল পাওয়ারের চশমা
মঙ্গলবার ● ১৯ মার্চ ২০১৯


এম. কে. দোলন বিশ্বাস

॥ এম. কে. দোলন বিশ্বাস ॥

ধরা যাক, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন মহাজোট সরকার উন্নয়নমুখি। তারা যেমন সত্যদ্রষ্টা, তেমনই বাস্তববাদী। বেসামাল উন্নয়নে দিশাহারা হয়ে সত্যি সত্যি ভাবেই একাদশ সংসদ নির্বাচনে মহাজোট নির্বাচনে ভোটে একশো শতাংশ আসনে বিজয় হলো। মেনে নেওয়া যাক, ওই বিজয়ে সন্ত্রাসের কোনো দাগও পড়লো না। সাধারণ মানুষই তাঁদের ভোট দিয়ে গণতন্ত্রের ক্লাবে জিতিয়ে আনলেন। তবুও ওই বিজয় কী সব প্রশ্নের উত্তর হতে পারে? মানুষের ভোটে একশো শতাংশ আসনে বিজয় যে কথাগুলি জানান দিবে, তা এ রূপ হতে পারে :
এক. দল হিসেবে আওয়ামী লীগ জনপ্রিয়তা অক্ষুন্ন রেখেছে। দুই. মানুষ এ দলের উন্নয়ন কর্মসূচিতে ভরসা করেছে। তিন, বিরোধীরা এখনও আওয়ামী লীগের বিকল্প হিসেবে জনগণের নিকট গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেনি। চার. আওয়ামী লীগের রয়েছে আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তা। পাঁচ. আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বী করার সাহস দেখাতে পারেনি ১৫৪ সংসদীয় আসনে।
অন্যদিকে একশো শতাংশ আসনে বিজয়ের ভোট যে কথাগুলি জানান দিবে, সেটাও কিন্তু আশঙ্কামুক্ত নয়। যেমন- এক. সমস্ত ভোটদাতা সত্যি কী অবাধে ভোট দিতে পেরেছেন? দুই. আওয়ামী জমানায় প্রবাসি ও কবরবাসি উভয় ভোট দিয়েছে। তিন. আওয়ামী বাক্সে লাখ লাখ ভোটের বিপরীতে শুন্য থেকে শুরু করে ৪/৫ হাজার ভোট পড়েছে।
এমন আশা আওয়ামী জমানায় লীগবাদী অধ্যুষিত উন্নয়ন ফেরির ডিজিটাল বাংলায় হয়তো বাতুলতার নামান্তর। কিন্তু, তর্কের খাতিরে ধরে নেওয়া যাক, সত্যি ভোটের দিন প্রশাসনের সদিচ্ছা জেগে ছিলো, মেরুদ- গজায়ে ছিলো এবং ভোটাররা নিজের ভোট নিজেও দিতে পেরেছিলেন। কিন্তু, ওই ভোটে বিজয়ও বলবে না, আওয়ামী লীগ নেত্রী প্রধানমন্ত্রী তাঁর গণতান্ত্রিক দায়িত্ব পালনে সফল হয়েছিলেন কি-না? গণতন্ত্র যে নিরপেক্ষতা দাবি করে, প্রশাসক হিসেবে তিনি তাঁর তিলমাত্র নিশ্চিত করতে পেরে ছিলেন কি-না? মানুষকে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের উপর বিশ্বাস করবার বিন্দুমাত্র সুযোগ দিয়ে ছিলেন কি-না?
ভোটের ব্যালট এসব প্রশ্নের উত্তর সন্ধান করে না। এসব প্রশ্নের জবাব বঙ্গবাসী নিশ্চয় জানেন এবং বোঝেন। তবে একশো শতাংশ আসনে জিতে আসলেও ওই উত্তর বদলাবে না।
কথাটি বঙ্গবন্ধুর কন্যাও সম্ভবত জানেন। যেমন জানেন নরেন্দ্র মোদীসহ আদি নেতারা, অথবা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ন্যায় প্রাক্তনরা। তাঁরা জানেন, ভোটের ফলাফলে প্রশাসক হিসেবে নৈতিকতার, ন্যায্যতার বিচার হয় না। তবুও, অস্বস্তিকর প্রশ্ন উঠলেই তাঁরা গণদেবতার দোহাই দেন। ‘মানুষের আদালতের বিচার’-এর উপর আস্থা জ্ঞাপন করেন। কারণ, তাঁরা জানেন, সেটাই একমাত্র পরীক্ষা, যার ফলাফল জনসমক্ষে আসে। অন্য পরীক্ষাগুলো মহাকালের খাতায়। ওই প্রশ্নগুলোর বিচার গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এতে যেমন কোনো নৈর্ব্যক্তিক মাপকাঠি নেই। তেমনই ওই পরীক্ষায় ‘ডাহা ফেল’ করলেও ক্ষমতায় টিকিয়ে থাকতে কোনো সমস্যাও হয় না। নরেন্দ্র মোদী যেমন তাঁর জমানার যাবতীয় ‘অ-শাসন’ কে অস্বীকার করে চলতেছেন ২০১৯-এর আশায়। সেই নির্বাচনে যদি তিনি জিতিয়ে ফিরেন, সেটা কি প্রশাসক হিসেবে তাঁর যাবতীয় ব্যর্থতাকে মুছে দিবে? মহম্মদ আখলাক, পেহলু খান, গৌরী লঙ্কেশ হতে কাঠুয়া-কা-, কোনো দায়ই তাঁর থাকবে না? গণতন্ত্রকে লুণ্ঠিত করবার অভিযোগ হতে তিনি নিষ্কৃতি পাইবেন? এসব প্রশ্নের উত্তরগুলো তিনিও জানেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানেন।
ক্ষমতার ক্যারিশমায় ভুল পাওয়ারের চশমা পড়ে একই পথে পদাঙ্কন করে চলেছেন বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ নেত্রী। যেমন তাঁর জমানার ‘শাসন’ কে অস্বীকার করে ‘বে-শাসন’ কায়েম করে চলতেছেন ‘২০০৯ টু ২০৩১ ভিশন ভায়া ২০৪১ ভিশন’ এর আশায়। তবে একাদশ নির্বাচনে তিনি যে রূপে জিতিয়ে গণতন্ত্রের ক্লাবে নয়া ভাবে ক্ষমতার স্থায়ীত্ব লাভ করেছেন, সেটা কী প্রশাসক হিসেবে তাঁর যাবতীয় ‘বে-শাসন’ ঘুছিয়ে দিবে? বিডিআর কা-, গুম, খুন, কারাগারে আটক রেখে আইন সংশোধন করে বিচার, পাবলিক কিংবা নিয়োগ পরীক্ষায় অবাধে প্রশ্নপত্র ফাঁস, হাজার হাজার কোটি  ব্যাংকিং সেক্টেরে লুট, রিরোধী মতের গণমাধ্যম বন্ধ ঘোষণা, গণমাধ্যমের টুটি চেপেধরে সাংবাদিকদের হাতে পায়ে বেড়ি পড়ানো, নিরাপত্তার নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা কালো আইন পাশ, পাঠ্যসূচীতে নাস্তিকবাদিদের আদক্ষ্য, শিক্ষাখাতে হযবরল অবস্থা, বিচার বিভাগে নগ্ন হস্তক্ষেপ, গণহারে রিমান্ড, আজগুবি মামলায় ভৌতিক আসামি, টুনকো মামলায় বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান হতে এমন কী রিজার্ভ ফান্ড লুটের কোনো ধরনের দায়ই তাঁর থাকবে না? গণতন্ত্রকে লুণ্ঠিত করবার অভিযোগ হতে তিনি নিষ্কৃতি পাবেন? উত্তরগুলো তিনিও জানেন, এ দেশের খেটে খাওয়া মানুষও জানেন।
আমরা মনে করি, গণতন্ত্রের পরীক্ষার সাথে আওয়ামীবাদীদের বিরোধ একেবারে মূলে। একশো শতাংশ আসন দখল করবার অদম্য তাগিদে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণে ৩০ ডিসেম্বরের বিপরীতে ২৯ ডিসেম্বরকেই প্রধান্য দেয় লীগবাদীরা। উদ্দেশ্য হাসিল করতে দলীয় প্রতীক নৌকা স্ব-দলীয় ভক্তদের হামলায় ভাংচুর টু অগ্নিতে ভূস্মীভূতের ঘটনা ঘটে।  ভোটের ৩০ ডিসেম্বরকে সামনে রেখে হামলা-মামলার প্রকল্প চালু করা হয়। টার্গেট মিস না করতে আয়োজন চলে ২৯ ডিসেম্বরকেই ঘিরে। শেষ অবধি ৩০ ডিসেম্বর সুষ্টু ভোটের মাঠ যেমন ‘অসুস্থ্য’ হয়ে পড়ে। তেমনই বহুল আখাঙ্কিত ভোটের হিসেব-নিকাশে শুধু ‘বারোটা’ নয়, বরং ‘সাড়ে তেরোটা’ বেজে যায়। পিছনে যায় ভোটের ৩০ ডিসেম্বর। সামনে আসে ২৯ ডিসেম্বর। কেল্লাহফতে  লীগবাদীদের। গণতন্ত্র চুটখায়। বড় ধাক্কা লাগে নির্বাচন কমিশনে। আঁতেক উঠে বিশ^ বিবেক। এতসব পরেও লুটেরাদের হাসি খিলখিল দেখা যায়।
আমরা বলতে চাই, গণতন্ত্রের পরিসরটি শুধু বিজয়ীর নয়, বরং বিজিতেরও। শাসকের পাশাপাশি বিরোধী দলও গণতন্ত্রে সমান জরুরি। জনগণের যে অংশ শাসকদের সাথে একমত নন, সমর্থকও নন, শুধু তাঁদের প্রতিনিধিত্ব করবার জন্যই নয়, বিরোধী মতের প্রয়োজন শাসকের গঠনমূলক সমালোচনা করে চলবার জন্যও।
ভারতে এ কথাটি যিনি অন্য অনেকের তুলনায় ঢের বেশি জানতেন, তাঁর নাম জওহরলাল নেহরু। কিন্তু এই ভারতই তাঁকে মুছে ফেলতে বদ্ধপরিকর। বিরোধীদের সূচ্যগ্র জমিটুকুও ছাড়তে না চাওয়াও সেই প্রবণতারই শরিক। জমি না ছাড়বার তাগিদই সেই কাজগুলো করে নেয়, এতে বারংবার কালি পড়ে গণতন্ত্রের মুখে। ওই কালিতে সম্ভবত নেতাদের কিছু যায় আসে না। ভোটের ফলাফলই তাঁদের মোক্ষম। এক কথাই জিতাই হলো তাদের উদ্দেশ্য।
বাংলাদেশের অবস্থা ঠিক একই। বিরোধী রাজনৈতিক অধিকার যার শাসনামলে জারি হয়েছিল, তার নাম জিয়াউর রহমান। মহান মুক্তিযোদ্ধে তার অবদান কোনো কালেই অস্বীকার করার নয়। তিনি রাজনীতির পরিসরে সবার রাজনৈতিক অধিকার বাস্তবায়নে বিশ^াসী ছিলেন। কিন্তু এখন যারা ক্ষমাতাসীন তারা শুধু জিয়াউর রহমান নয়, বরং জিয়া পরিবারের নামগন্ধ বাংলার সবুজ জমিন থেকে মুছে ফেলতে যেনো বদ্ধপরিকর। ঘটনা এখানেই শেষ নয়। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছিয়েছে যে, জিয়ার দল, জিয়ার মত, নেতাকর্মী, সমর্থক সর্বোপরি জিয়ার নামগন্ধ বিনাশ করতে চলছে যতো নগ্ন আওয়ামী আয়োজন। উদ্দেশ্য হাসিল করতে প্রথমে জিয়ার মাজার টেনেস্ফার। পরে খালেদা জিয়ার সেনানিবাসের বাড়ি উচ্ছেদ। এখন খালেদার কারাজীবন। অঘোষিত নির্বাসনে জিয়াপুত্র তারেক রহমান। নেতাকর্মীদের নামে হাজার হাজার মামলা।
সবপক্ষেরই মনে রাখা জরুরি যে, ক্ষমতাকে সাময়িক কুক্ষিগত করা গেলেও গণতন্ত্র কিন্তু তার নিজস্ব নিয়মেই প্রবাহিত হয়। আমাদের প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানে গণতন্ত্রের ভিতটি যে বরাবরই নিতান্ত দুর্বল, এটা কথা স্বীকার করে নিয়ে ছিলেন ওই দেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট পারভেজ মুশারফও। অবধারিত ভাবে তুলনাটা এসেই পড়ে। অতি নিন্দুকেও স্বীকার করে নিতে বাধ্য হয়, চিত্রটা ভারতে সার্বিক অর্থে বিপ্রতীপ। গণতন্ত্রের ভিত্তিটি আমাদের দেশে অনেক গভীরেই প্রোথিত।
এই সগৌরব ঘোষণাটি যে আমাদের পক্ষে করা সম্ভব হয়, তার বিবিধ কারণের অন্যতম প্রধান হল, সংসদীয় রাজনীতির প্রাঙ্গনে বিরোধীর অস্তিত্বকে দর্শনগত ভাবেই স্বীকার করা। স্বাধীনতা উত্তর কালে শাসকেরা যখনই এই সত্যটিকে অস্বীকার করতে চেয়েছেন, তখনই হাত পুড়েছেন তাদের। ফলে, সংবিধানের প্রণেতারা যে দূরদর্শিতায় বিরোধীর স্বীকৃতির উপর জোর দিয়েছেন, ধারাবাহিক বাধ্যবাধকতায় এ দেশের রাজনৈতিক দলগুলো সেই গাছের গোড়ায় জল-মাটি দিয়ে এসেছেন।
ভারতীয় গণতন্ত্রের মূল দর্শনটির এই সূত্র অতএব ‘বিরোধীদের দূরবীণ দিয়েও খুঁজে পাওয়া যাবে না’ এই সদম্ভ ঘোষণার অনুমোদন দেয় না। দুর্ভাগ্য এটাই, শাসকরা সহসায় ভুলে যান কখনও কখনও। ভারতে একের পর এক জেলা পরিষদ, পুরসভা, পঞ্চায়েত দখল করছে এখন তৃণমূল কংগ্রেস। তারই যেনো উত্তর দিলেন দখল-অভিযানের অধিনায়ক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুর্শিদাবাদের শেষ কংগ্রেস পরিচালিত পুরসভা দখল করে তাঁর ঘোষণা, কংগ্রেসের দুর্গ শেষ। দূরবীণ দিয়েও আর খুঁজে পাওয়া যাবে না কংগ্রেস।
বাংলাদেশের একই অবস্থা। প্রথমে দশম জাতীয় সংসদ দখল। তারপর সিটি, পৌরসভা, জেলা, ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের নামে ক্ষমতার ক্যারিশমায় চর দখলের ন্যায় সবগুলো জনপ্রতিনিধির আসন দখলের হীনমানসে নগ্ন প্রতিযোগিতায় মেতে উঠেছে ক্ষমতাসীন লীগবাদী শাসক।
ক্ষমতার বিপুল রায়ে ক্ষমতায় ফেরার পরেও, বিরোধী জনপ্রতিনিধিদের ভাঙিয়ে এনে সংখ্যায় নগন্য কিছু বিরোধী দুর্গ দখলের প্রয়োজনীয়তা কী, সে প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। নির্বাচন পন্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশিই ইতিহাস নিয়ে যাঁরা ঘাঁটাঘাঁটি করেন, তাঁরা মনে করিয়ে দেবেন, পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই প্রথম এই ধরনের কথা বললেন এমনটা নয়। ঠিক এই বক্তব্য, একই সুর ৩৪ বছরের বাম জমানায় বহু বাম নেতার মুখেই শোনা গিয়েছে। শোনা গিয়েছে আরামবাগে– গোঘাটে কেশপুরেগড়বেতায়, মানুষের রায়ের জন্য অপেক্ষা না করে রায়ের দ- নিজেদের হাতেই তুলে নিয়েছিলেন বাম জমানার ওই নেতারা। নিষ্ঠুর ইতিহাস জানিয়ে দেবে ঠিক ওই অঞ্চলগুলোতে বামেরা কী ভাবে প্রায় নিশ্চিহ্ন হওয়ার জায়গায় পৌঁছেছেন। গণতন্ত্র তার নিজস্ব নিয়মে, নিজস্ব স্রোতে প্রবাহিত থেকেছে। কৃত্রিম বাঁধ কিছু দিন গণতন্ত্রেও সেই প্রবাহকে আটকাতে পারে, কিন্তু তার পর বিপুল স্রোতে তার নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়াই পরিণতি অবধারিতই বটে।
বিরোধীর জোরাল অস্তিত্বেই শাসকের জয়যাত্রার মন্ত্র নিহিত, তাদের নিশ্চিহ্ন করার মধ্যে নেই এই কথাটা শাসকেরা যত দ্রুত বোঝেন, ততই তাদের মঙ্গল। এই দেশের গণতন্ত্রকে নিয়ে চিন্তার কারণ নেই। যাবতীয় অনিয়মকে চূর্ণ কওে গণতন্ত্র তার নিয়মেই চলবে। এটাই গণতন্ত্রের সরল গতি। শাসক ইতিহাসের শিক্ষা নেয়? শিক্ষা নেবে তৃণমূল কংগ্রেস? বোধোদয় হবে কী বাংলার লীগবাদিদের?
আমরা বলতে চাই, প্রতি হিংসা, স্বার্থান্ধতা, দলকানা ইতোকার অশুভ কোনোই কাজই সুস্থ্য মস্তিষ্কের যেমন কাজ নয়। তেমন মহাকালের বিচারও নয়। তবে সুকর্ম হোক, আর কুকর্মই হোক না কেনো, সব ধরনের কর্মের ফলাফল নিজেকেই ভোগ করতে হবে। কাজেই সাবধান ‘সাধু’।

[এম. কে. দোলন বিশ্বাস, দৈনিক সংবাদের সাবেক সহ-সম্পাদক] 

বাংলাদেশ সময়: ১০:১৮:২৮ ● ৮২৪ বার পঠিত




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

আর্কাইভ