গলাচিপায় হতদরিদ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের টাকায় প্রতারণা!

প্রথম পাতা » পটুয়াখালী » গলাচিপায় হতদরিদ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের টাকায় প্রতারণা!
মঙ্গলবার ● ৯ আগস্ট ২০২২


গলাচিপায় হতদরিদ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের টাকায় প্রতারণা!

গলাচিপা (পটুয়াখালী) সাগরকন্যা প্রতিনিধি॥

পটুয়াখালীর গলাচিপায় হতদরিদ্র নারীদের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজের টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে,ওয়াবদা বেড়িবাঁধ,ডানিডা,মুসলিম এইড,ও চল্লিশ দিন কর্মসূচির কাজের লাখ লাখ টাকা এখনও পায়নি ভুক্তভোগী ওইসব অসহায় নারীরা।আর এ প্রতারণার শিকার হয়েছেন উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের পূর্ব গোলখালী গুচ্ছ গ্রামের সঞ্চিতা ভূমিহীন মহিলা সমিতির সদস্যগন একাকি প্রকল্পের কাজ করেও বরাদ্দকিত মজুরি থেকে বঞ্চিত হয়েছে হতদরিদ্র এসব নারীরা।

পানি  উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় ওয়াবদা বেড়িবাঁধের কাজের প্রাপ্ত টাকা না পাওয়ায় সমিতির সদস্যদের সমিতির সদস্যদের পক্ষে মোসাঃরওসোনা বেগম এবং মোসাঃওজিতন বিবি ২০২১ সালের ২৬ আগষ্ট জেলা প্রশাসকের বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেন।জেলা প্রশাসক বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।কিন্তু আজও ওইসব ভূমিহীন হতদরিদ্র নারীরা তাদের কাজের বকেয়া মজুরি পায়নি।

সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়,১৯৯৫ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়াবদা নির্মাণ,২০১২ সালে ডানিডা,মুসলিম এইড ও চল্লিশ দিন কর্মসূচি প্রকল্পের কাজে অংশগ্রহণ করেন গলাচিপা উপজেলার পূর্ব গোলখালী গুচ্ছ গ্রামের সঞ্চিতা ভূমিহীন মহিলা সমিতির সদস্যরা।পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়াবদা বেড়িবাঁধ নির্মাণ মেরামত ও সংরক্ষণের এলাকা ভিত্তিক নারী কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।এতে উৎসাহিত হয়ে চল্লিশ জনের ভিন্ন ভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে কাজ করে এসব হতদরিদ্র নারীরা।এসকল প্রকল্পে কাজ করেও ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন তারা প্রাপ্ত বকেয়া মজুরি পাওয়ার আশায় আজও তারা ঘুরছেন সংশ্লিষ্ট অফিসের বারান্দায়।

কিন্তু এর সমাধান মিলছেনা কোন ভাবেই আর এ সকল প্রকল্পগুলো অসহায় দুঃস্থ ও হতদরিদ্র নারীদের অংশগ্রহণে সরকারের গ্রাম উন্নয়নে ভূমিকা রেখে চলছে। কিন্তু এ সমস্ত কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অবহেলা স্বার্থপরতা ও দুর্নীতির কারণে উন্নয়ন ও নারী অধিকার বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।যার ফলে নারীশ্রমে আগ্রহ হারাচ্ছে হতদরিদ্র নারীরা।

এ বিষয়ে মোসাঃরওসোনা বেগম,মোসাঃওজিতন বিবি রিজিয়া বেগম শোভা রানীসহ সমিতির অন্যান্য ভুক্তভোগী নারী কর্মীরা বলেন আমরা গোলখালী ইউনিয়নে ৪নং ওয়ার্ডের গুচ্ছ গ্রামে থাকি আমাদের দিয়ে ওয়াবদার মাটি কাটিয়েছেন বাংকে নাম নেছে কাম শ্যাষ হইলে টাকা দিবে মাডি কাইডা অব্দা বানাইছি।পরে মানুও পাইনি আর টাকাও পাইনি।

বিষয়টি নিয়ে তৎকালীন সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য মোঃসানু মিয়ার কাছে যানতে চাইলে তিনি বলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়াবদা বেড়িবাঁধ নির্মাণ মেরামত ও সংরক্ষণে নারীরা কাজ করেছিলো প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের দুর্নীতির কারনে নারীরা ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এছাড়াও ডানিডা,মুসলিম এইড ও চল্লিশ দিন কর্মসূচির কাজের সাথে জড়িত চেয়ারম্যানদের কেউ মারা গেছে আবার কেউ এখনও জনপ্রতিনিধি দায়িত্বেও নেই।তাই বিষয়টি জটিল হয়ে পড়ছে।

এ বিষয়  ভুক্তভোগী ওজিতন বলেন যে আমরা যারা বিভিন্ন  এনজিও অন্যান্য  সংস্থায় কাজ করেছি আমরা আমাদের  জমা টাকা পাই নাই আমাদের  কথা গুলো যেনো সাংবাদিকদের মাধ্যমে,  গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ  সরকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর  শেখ হাসিনার  কাছে  পৌছায়।
এ  বিষয়  ২ নং গোলখালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান মোঃ নাসির উদ্দীন হাওলাদার  বলেন যে তৎকালীন  সময় আমি চেয়ারম্যান  ছিলাম না  যারা ছিল তারা বিষয় টি  দেখেতে পারতো যাইহোক বিষয় টি  আমি সুনেছি আমি দেখবো।


এসডি/এমআর

বাংলাদেশ সময়: ২১:১৯:০৪ ● ৪২ বার পঠিত




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

আর্কাইভ