
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, পিরোজপুর
পিরোজপুরে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা প্রথম দিনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলেও বাংলা বিষয়ে অনুপস্থিতির হার ছিল ৪১ শতাংশ। বুধবার (১৫ এপ্রিল) জেলার সাতটি উপজেলার নয়টি কেন্দ্রে সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই পরীক্ষার্থীরা নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হলেও কেন্দ্রগুলোর বাইরে অভিভাবকদের দীর্ঘ অপেক্ষা করতে দেখা যায়।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর জেলার সাতটি উপজেলায় মোট ৪ হাজার ৮৮২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধিত ছিল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকায় সামগ্রিক উপস্থিতির হার নেমে আসে ৫৯ শতাংশে।
উপজেলাভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, সদর উপজেলার করিমুননেছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৭৬৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ছিল ৩২০ জন, উপস্থিতির হার ৫৮ শতাংশ। কাউখালী উপজেলার সরকারি গান্ডতা ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৩১৪ জনের মধ্যে অনুপস্থিত ১৫৫ জন, উপস্থিতি ৫১ শতাংশ। নাজিরপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৮৫৮ জনের মধ্যে অনুপস্থিত ২৯১ জন, উপস্থিতি ৬৬ শতাংশ।
ভান্ডারিয়া বিহারী লাল মিত্র পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৫৯৮ জনের মধ্যে অনুপস্থিত ২৬৪ জন, উপস্থিতি ৫৬ শতাংশ। মঠবাড়িয়া উপজেলার দুটি কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ছিল ৫৫৯ জন, উপস্থিতি ৪৮ শতাংশ। ইন্দুরকানি এম ইউ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২৯১ জনের মধ্যে অনুপস্থিত ৩৯ জন, উপস্থিতি ৮৭ শতাংশ। নেছারাবাদ উপজেলার দুটি কেন্দ্রে ৯৮৭ জনের মধ্যে অনুপস্থিত ছিল ৩৯৬ জন, উপস্থিতি ৬০ শতাংশ।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মোল্লা বক্তিয়ার রহমান বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতি উদ্বেগজনক। এ বিষয়ে অনুপস্থিতির কারণ খতিয়ে দেখা হবে।’