
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, আমতলী (বরগুনা)
আমতলী উপজেলার চৌরাস্তায় সিএনজি স্ট্যান্ড দখলের ঘটনায় দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। এ নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং সাধারণ মানুষ দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপের দাবি করেছেন।
জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে উপজেলা সিএনজি মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের মধ্যে স্ট্যান্ড দখল নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। শনিবার শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা সিএনজি মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ মিল্টন হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাসেল আকনকে মারধর করে এবং পুলিশ একটি সিএনজি থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে।
রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মিল্টন হাওলাদার জানান, রাহাত ফকির জোরপূর্বক স্ট্যান্ড দখল করে মাসে এক হাজার টাকা ও দৈনিক ৫০ টাকা চাঁদা আদায় করছেন। তিনি বলেন, আমরা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিয়েছি, কিন্তু রাহাত ফকির প্রশাসনের আদেশ অমান্য করে চাঁদা আদায় চালিয়ে যাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মকবুল আহমেদ খান, সদস্য মোঃ সামসুল হক চৌকিদার ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাসেল প্রমুখ।
অপর দিকে একই ঘটনায়, রবিবার দুপুরে জেলা ডাক বাংলোর প্রাঙ্গণে সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়ন মানববন্ধন করেছে। বক্তারা অভিযোগ করেন, মালিক সমিতি প্রতিদিন প্রতি সিএনজি থেকে ১০০ টাকা চাঁদা আদায় করছে, যা চালকদের জন্য কষ্টকর।

আমতলী থানার পরিদর্শক (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গির হোসেন বলেন, উভয় পক্ষের মধ্যে একটি মীমাংসিত বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে। উভয় পক্ষ পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। অভিযোগ পেলে আইন অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।