
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, তজুমদ্দিন (ভোলা)
ভোলার তজুমদ্দিনে বাড়িতে চলাচলের পথে সুপারি চারা রোপণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শারীরিক প্রতিবন্ধীসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের কেয়ামূল্যাহ গ্রামের মহাদেব বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, লালু দাসের ছেলেরা ভ্যানচালক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী শ্রীবাস চন্দ্র দাসের বাড়িতে চলাচলের পথে সুপারি চারা রোপণ করতে গেলে তিনি বাধা দেন। এ নিয়ে লালু দাসের ছেলে দ্বীবাকর, বিভীষণ ও বিধান চন্দ্র দাসের সঙ্গে শ্রীবাসের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
শ্রীবাসকে উদ্ধার করতে তার মা পুষ্পরানী দাস ও স্ত্রী শ্রীমতি রানী দাস এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা করা হয়েছে বলে স্বজনদের অভিযোগ। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হন।
আহতদের মধ্যে শ্রীবাস চন্দ্র দাস, তার মা পুষ্পরানী দাস, স্ত্রী শ্রীমতি রানী দাস এবং অপর পক্ষের স্বর্ণলতা দাস ও বিধান চন্দ্র দাসকে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শ্রীবাসের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
শ্রীবাস চন্দ্র দাসের বাবা অমৃত চন্দ্র দাস অভিযোগ করে বলেন, লালু দাসের ছেলেরা আমার ছেলে বুধুকে বিভিন্ন সময় খারাপ ইঙ্গিত করে আসছিল। এ নিয়ে তাদের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ চলছিল।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে লালু দাস বলেন, ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমাদের পক্ষেরও দুজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান বলেন, মারামারির ঘটনায় উভয় পক্ষ থানায় অভিযোগ দিয়েছে। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।