
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, পটুয়াখালী
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি পাকা সড়কের পাশের সরকারিভাবে রোপিত গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত মো. আলামিন (৩৫) ধুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক। এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
সোমবার উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নের ভেরনতলা বাজার এলাকার পাকা সড়কের পাশ থেকে মেহগনি ও জাম্বুল প্রজাতির গাছ কাটা হয়। দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, ৭-৮ জন শ্রমিক গাছ কাটছেন। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মোট ১৩টি গাছ কাটা হয়েছে। শ্রমিকরা জানান, আলামিনের নির্দেশেই গাছগুলো কাটা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, কাটা গাছগুলোর আনুমানিক মূল্য কমপক্ষে ৬০ হাজার টাকা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এর আগেও আলামিন একই সড়কের পাশের সরকারিভাবে রোপিত গাছ বিক্রি করেছিলেন। তখন তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেই সুযোগে তিনি আবারও গাছ কাটেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উদ্যোগে ২০০৪-২০০৫ সালে ধুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান মো. খলিল শরীফ ওই সড়কের পাশে গাছগুলো রোপণ করেন।
অভিযোগের বিষয়ে মো. আলামিন গাছ কাটার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তিনি গাছ লাগাননি, তবে গাছগুলো তার রেকর্ডভুক্ত জমির মধ্যে রয়েছে। তবে এর আগে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ বলেন, গাছ কাটার খবর পেয়ে ধুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যানকে গাছগুলো জব্দ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ধুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ইউএনওর নির্দেশে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ গাছ ইতোমধ্যে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। সেখানে থাকা তিনটি গাছ জব্দ করা হয়েছে।