
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, কুয়াকাটা (পটুয়াখালী)
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় এক জেলেকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আব্বাস গাজী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
সোমবার বিকেলে কুয়াকাটার ধুলাসার ইউনিয়নের চর ধুলাসার গ্রামে নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে ভুক্তভোগী জেলে মিজান হাওলাদারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার চাচাতো ভাই রাজিব।
লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, গত ১৪ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে মদ্যপানে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। আব্বাস গাজীর নেতৃত্বে ছিদ্দিক ও জাবেদ গাজীসহ ২০-৩০ জনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়।
এ সময় বাড়ির উঠানে থাকা মিজান হাওলাদারকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। তার বাবা শাহ আলম হাওলাদারকে বেধড়ক মারধর করে হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তাদের রক্ষা করতে এগিয়ে এলে মেশকাত, লিমন ও বসারসহ আরও কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত মিজান হাওলাদার বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, হত্যার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানানো হয়। এ অবস্থায় অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আব্বাস গাজী বলেন, ‘মিজানসহ কয়েকজন আমার ছেলেকে মারধর করেছে। এতে তার হাতের কবজি ভেঙে গেছে। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছি। আমি কাউকে মারধর করিনি।’
এ ঘটনায় মিজানের বাবা শাহ আলম হাওলাদার কলাপাড়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি বর্তমানে পিবিআই তদন্ত করছে।