
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, দশমিনা (পটুয়াখালী)
পটুয়াখালীর দশমিনায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধপূর্ণ জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে একটি ভুক্তভোগী পরিবার। তবে অভিযুক্ত পক্ষ দাবি করেছে, তারা আদালতের কোনো নিষেধাজ্ঞার নোটিশ পায়নি।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ এলাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জহিরুল ইসলাম সবুজ। তিনি বলেন, তার বাবা আলী আকবর খানের সঙ্গে একই বাড়ির জাকির খানের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। পশু হাসপাতাল সংলগ্ন ৩৩ ফুট জমির মধ্যে ২০ ফুট অংশ আলী আকবর খানের নামে রেকর্ডভুক্ত এবং পূর্বের সালিশেও তা উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগ করা হয়, জাকির খান ওই জমি বিক্রির উদ্দেশ্যে বায়না গ্রহণ করে সাইনবোর্ড স্থাপন করেন।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সালিশে মীমাংসার চেষ্টা হলেও সমাধান না হওয়ায় ২০২৫ সালের ১৮ আগস্ট আদালতে মামলা করা হয়। মামলাটি আমলে নিয়ে আদালত বিবাদীকে নোটিশ দেয়। কিন্তু মামলা চলাকালীন জাকির খান প্রভাব খাটিয়ে বিরোধীয় জমিতে বালু ফেলে দখলের চেষ্টা করেন। বাধা দিতে গেলে উল্টো তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দিয়ে আলী আকবর খান ও নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সুযোগে বিরোধীয় জমিতে বাউন্ডারি নির্মাণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে, জাকির খান বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত কোনো নোটিশ আমি পাইনি। আমি আমার নিজ জমিতেই কাজ করছি।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ বলেন, ওই জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। আকবর আলী খান প্রাথমিকভাবে জায়গার আকার-আকৃতি পরিবর্তন না করার একটি স্টে অর্ডার এনেছেন। পুলিশ একাধিকবার গিয়ে কাজ বন্ধ রাখতে বলেছে। তবে ফাঁকে ফাঁকে কাজ করার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। কেউ আদালতের নির্দেশ অমান্য করলে অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসবি/এমআর