
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম মধুখালী গ্রামের ফেরদৌস মুন্সী (৩৮) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আপন ভাই ফোরকান মুন্সী (৪৫) ও লালুয়ার হাসনাপাড়া গ্রামের রুবেল খান (৪১)-কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। অধিকতর তদন্তের স্বার্থে ফোরকান মুন্সীকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহত ফেরদৌস মুন্সীর বোন হাওয়া বেগম সোমবার (১২ জানুয়ারি) কলাপাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. ফোরকান মিয়া এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৮ জানুয়ারি রাত ৯টার পর থেকে ফেরদৌস মুন্সী নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজের তিনদিন পর রবিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে বাড়ি সংলগ্ন মধুখালী লেকের পাড় থেকে কাঁদা মাটিচাপা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয় লোকজন লেকপাড়ে নতুন মাটির স্তুপ দেখতে পেয়ে সন্দেহ হলে মাটি খুঁড়ে চাপা দেওয়া মরদেহটি দেখতে পান এবং পরে পুলিশকে খবর দেন।
নিহত ফেরদৌস মুন্সী ওই গ্রামের রহমান মুন্সীর ছেলে। মামলায় স্থানীয় দুই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে তাঁদের সঙ্গে নিহত ফেরদৌস মুন্সীর বিরোধ ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করলেও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি রয়েছে।
এ ঘটনায় মধুখালী গ্রামসহ পুরো মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।