দুমকিতে অধ্যক্ষসহ দু’শিক্ষকের বেতন-ভাতা স্থগিত

প্রথম পাতা » পটুয়াখালী » দুমকিতে অধ্যক্ষসহ দু’শিক্ষকের বেতন-ভাতা স্থগিত
সোমবার ● ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪


দুমকিতে অধ্যক্ষসহ দু’শিক্ষকের বেতন-ভাতা স্থগিত

দুমকি(পটুয়াখালী) সাগরকন্যা প্রতিনিধি॥

পটুয়াখালীর দুমকিতে বিধি বহির্ভূত নিয়োগসহ নানা অনিয়মের কারণে মুরাদিয়া আজিজ আহম্মেদ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো: আহসানুল হক ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ের প্রভাষক মোঃ এবাদুল হক’র বেতন-ভাতা স্থগিত করেছে শিক্ষা অধিদপ্তর। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর কতৃক বে-সরকারি স্কুল ও কলেজের জানুয়ারি মাসের বেতন-ভাতা প্রদানের এমপিওতে কলেজটির সকল শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ছাড় করা হলেও অধ্যক্ষ আহসানুল হক ও প্রভাষক এবাদুল হকের বেতন-ভাতা ০০ রাখা হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা দপ্তর বরিশাল বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন এতথ্য নিশ্চিৎ করেছেন।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানাযায়, পটুয়াখালীর জেলার দুমকি উপজেলাধীন মুরাদিয়া আজিজ আহম্মেদ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ আহসানুল হকের বিধি বহির্ভূত নিয়োগ, জাল-জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ ও নারী কেলেংকারীর প্রমাণ মেলায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর তার বেতন ভাতা স্থগিত করেছেন। এর আগে জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পৃথক পৃথক তদন্ত কমিটির সরেজমিন তদন্ত প্রতিবেদনে উপরোক্ত অভিযোগ সমুহের সত্যতা প্রমানিত হওয়ার পর অভিযুক্ত অধ্যক্ষ আহসানুল হক ও প্রভাষক মো: এবাদুল হকের এমপিও থেকে বেতন-ভাতা স্থগিত করা হয়েছে।
সূত্রমতে আরও জানাগেছে, অধ্যক্ষ আহসানুল হকের বিরুদ্ধে নিয়োগ জালিয়াতি, নিয়োগ বাণিজ্য, অর্থআত্মসাৎ ও এক সহকর্মী শিক্ষিকার সাথে অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগ এনে অধ্যক্ষের অপসারণ চেয়ে কলেজ প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদার গত ২০২২সালের মার্চ মাসে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন। এছাড়া অধ্যক্ষের স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়ম-দূর্ণীতির প্রতিকার চেয়ে সাময়িক বরখাস্তকৃত শিক্ষক মো. ফরিদ আহমেদও অনুরূপ অভিযোগ করেছেন। এসকল অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই বছর ২আগস্ট জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, সেপ্টেম্বরে শিক্ষা মন্ত্রনালয় ও শিক্ষা অধিদপ্তরের পৃথক পৃথক তদন্তে অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় শিক্ষা অধিদপ্তর গত জানুয়ারি মাস থেকে অভিযুক্তদের বেতন ভাতা স্থগিত করেন।
আজিজ আহম্মেদ কলেজের অধ্যক্ষ মো: আহসানুল হক বেতন স্থগিতের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি। অভিযোগ কারী মো: জসিম উদ্দিন হাওলাদারের স্ত্রীকে চাকুরী না দেয়ায় তিনি মিথ্যে অভিযোগ দিয়ে আমাকে হয়রানী করছে। ডিজির আদেশ চালেঞ্জ করে হাইকোর্টের একটি মামলায় তার পক্ষে স্থগিতাদেশ রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

 

 

 

এমআর

বাংলাদেশ সময়: ২২:২৭:২৪ ● ৩৪ বার পঠিত




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

আর্কাইভ