গোপালগঞ্জে অসত্য ঘটনায় পিবিআই’র অভিযোগপত্র!

প্রথম পাতা » ঢাকা » গোপালগঞ্জে অসত্য ঘটনায় পিবিআই’র অভিযোগপত্র!
বৃহস্পতিবার ● ৭ জুলাই ২০২২


গোপালগঞ্জে অসত্য ঘটনায় পিবিআই’র অভিযোগপত্র!

গোপালগঞ্জ সাগরকন্যা প্রতিনিধি॥

 

 

গোপালগঞ্জে আদালতে দায়ের করা মামলায় মিথ্যা অভিযোগপত্র দেওয়ায় পিবিআই পুলিশের এসআইয়ের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভুগী মোঃ সাইদ মোল্যা (৫২)। সে কাশিয়ানী উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের আলহাজ্ব আঃ মান্নান মোল্যার ছেলে।

বুধবার (৬ জুলাই) দুপুরে গোপালগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। এ সময় মোঃ সাইদ মোল্যা তার লিখিত বক্তব্য পাঠকালে গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, গেল ৪ঠা ফেব্রুয়ারী শুক্রবার সকালে পূর্ব শত্রুতার বিরোধের জের ধরে আমার প্রতিবেশী বিবাদী বুলু শেখের হুকুমে বিবাদী রুনা বেগম, শিফালী বেগম, আলামিন শেখ, রবিউল শেখ, জালাল শেখগং অনধিকার আমার বাড়িতে প্রবেশ করে আমাকে ও আমার স্ত্রী জোসনা বেগমকে মারধর করে নগদ টাকা, স্বর্ণাংলকার’সহ মোবাইল ফোন ছিনাইয়া নেয়। এসময় তারা আমাদের খুন জখমের হুমকি দেয়। বিষয়টি স্থানীয় ভাবে আপোষ মিমাংসা করার চেষ্টা করিয়া এলাকাবাসী ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে আমি বিজ্ঞ আদালতের স্মরনাপন্ন হয়ে একটি মামলা করি। ঐ মামলাটি তদন্তের জন্য ওসি কাশিয়ানীর উপর ন্যস্ত করে আদালত। কাশিয়ানী থানার এসআই মোঃ আজিজুর রহমান সরেজমিনে তদন্ত করিয়া ঘটনার সত্যতা পেয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

একই ঘটনায় প্রতিপক্ষ শেপালী বেগম বাদী হয়ে কাশিয়ানী থানায় আমাকে এবং আমার স্ত্রী জোসনা বেগম আমার পুত্রবধু জুই বেগম কে আসামী করে রুনা বেগমকে তার বাড়ির উপর হইতে মারপিট করে স্বর্ণালংকার নিয়ে গিয়েছি মর্মে পাল্টা অভিযোগ করে। এ বিষয়টিতে তদন্তকারী অফিসার কোন সত্যতা খুঁজে পাইনি।

থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে কোন সুবিধা না পেয়ে একই সময় উল্লেখ করে আমার বিরুদ্ধে বিজ্ঞ গোপালগঞ্জ নারী শিশু আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী- ২০০৩) এর ৯(৪) ধারায় ধর্ষণ চেষ্টায় একটি মিথ্যা মামলা রুজু করে। উক্ত মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই পুলিশের উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোঃ শাহ্ আলম সোহাগ। তিনি যোগাযোগ সাপেক্ষে আমাকে আশস্ত করে বলেন, আপনার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগটি মিথ্যা। তিনি মামলার চুড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করার অঙ্গীকারে আমার নিকট হইতে কয়েক ধাপে নগদ ১৩ হাজার টাকা ও তার নিজের বিকাশ একাউন্ট ০১৭৭৫….৮৩ নাম্বরে ১৫ মার্চ দুপুরে ২হাজার টাকা ও ১৭ মার্চ দুপুরে ১ হাজার টাকা দেই। আমাকে তিনি নিশ্চিত করেন যে মামলায় চূড়ান্ত রিপোর্ট হবেই। অথচ উক্ত এসআই আমার নিকট হইতে এইরুপ টাকা নিয়া একটি জলজ্যান্ত মিথ্যা ঘটনাকে সত্য করিয়া আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করে।

তিনি আরও বলেন, এহেন মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিলকারী এসআই মোঃ শাহ্ আলম সোহাগের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের পাশাপাশি আমি যাহাতে মামলায় ন্যায় বিচার পাইতে পারি তাহার ব্যবস্থা করতে প্রধানমন্ত্রীসহ উদ্ধত্বন প্রসাশন কর্মকর্তার সুদৃষ্টি কামনা করি।

 

এবিষয়ে পিবিআই কর্মকর্তা শাহ্ আলম সোহাগ টাকা নেওয়ার কথা অস্বিকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে মোঃ সাইদ মোল্যা আমার অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছেন। অভিযোগটি সম্পুন্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

 

 

 

এইচবি/এমআর

 

বাংলাদেশ সময়: ২১:৩৩:৪০ ● ৭০ বার পঠিত




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

আর্কাইভ