শুক্রবার ● ২৪ এপ্রিল ২০২৬
বরগুনার বামনায় স্ত্রীর মামলায় গ্রেফতার ‘বিয়ে পাগল’ ডাক্তার জামিনে মুক্ত
হোম » বরগুনা » বরগুনার বামনায় স্ত্রীর মামলায় গ্রেফতার ‘বিয়ে পাগল’ ডাক্তার জামিনে মুক্ত

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, বরগুনা
রংপুরে স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুক মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত এক চিকিৎসককে বরগুনার বামনা থানা পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করার পর জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে তিনি জামিন পান।
গ্রেফতার হওয়া চিকিৎসকের নাম মোঃ মহিদুল ইসলাম (৩০)। তিনি বগুড়ার আদমদিঘী থানার শালগ্রাম এলাকার মোঃ শফিকুল ইসলামের ছেলে এবং বর্তমানে বরগুনার বামনা উপজেলার ডৌয়াতলা এলাকায় অবস্থিত সৌদি প্রবাসী হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চিকিৎসক মহিদুল ইসলাম ২০২৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর রংপুরের লিজা নামের এক নারীকে বিয়ে করেন। বিয়ের সময় তিনি নিজেকে অবিবাহিত পরিচয় দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিয়ের কিছুদিন পর তিনি ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে লিজাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন।
এরপর ২০২৩ সালে লিজা রংপুর মহানগর আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে আপসের ভিত্তিতে মামলাটি প্রত্যাহার করা হলেও গত বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর আবারও ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় লিজা পুনরায় চিকিৎসকসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
পরে তিনি পলাতক অবস্থায় বরগুনার বামনায় অবস্থান নিয়ে ওই হাসপাতালে চাকরি নেন। এ অবস্থায় রংপুর থেকে আসা ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে বামনা থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
বাদী লিজা বলেন, ‘আমি ওয়ারেন্ট নিয়ে বামনায় এসে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তাকে গ্রেফতার করাতে সক্ষম হই। কিন্তু আদালত আমার কোনো বক্তব্য না শুনে তাকে জামিন দিয়েছেন।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, চিকিৎসক মহিদুল ইসলাম একাধিক বিয়ে করেছেন। ‘আমার আগে তিনি সিরাজগঞ্জের রুম্পাকে বিয়ে করেন, পরে আমার সঙ্গে বিয়ে করেন। এরপর আবার বগুড়ার শম্পাকে বিয়ে করেন,’ বলেন লিজা। তিনি দাবি করেন, এ ঘটনায় চিকিৎসকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক মহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।
বাংলাদেশ সময়: ১৮:০১:১০ ● ৪৭ বার পঠিত
