সর্বশেষ
আমতলী-কুয়াকাটা মহাসড়ক চার লেন দাবিতে গণঅনশন, দ্বিতীয় দিনেও সরকারি সাড়া নেই সভাপতি শাহ আলম, সম্পাদক আউয়াল পিরোজপুরে আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন ভাণ্ডারিয়ায় চুরির দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত এলাকাবাসীর কলাপাড়ার নাওভাঙা খাল ইজারা ঘিরে সেচ সংকটের শঙ্কা, উদ্বেগে শতাধিক কৃষক পরিবার দুমকিতে সূর্যমুখী চাষে সম্ভাবনা, বাড়ছে আবাদ সুন্দরবনে অপহৃত দুই জেলে উদ্ধার, অস্ত্র-গোলাবারুদসহ বনদস্যু আটক মেহেন্দিগঞ্জে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা, অভিভাবকদের ক্ষোভ শার্শার উলাশীতে জিয়া খাল পুনঃখনন উদ্বোধন ঘিরে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শন

মালিক-শ্রমিক দ্বন্দের জের চাঁপাইনবাবগঞ্জ রাজশাহী-ঢাকা রুটে দূরপাল্লার বাস বন্ধ

হোম » রাজশাহী » মালিক-শ্রমিক দ্বন্দের জের চাঁপাইনবাবগঞ্জ রাজশাহী-ঢাকা রুটে দূরপাল্লার বাস বন্ধ
শুক্রবার ● ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫


চাঁপাইনবাবগঞ্জ রাজশাহী-ঢাকা রুটে দূরপাল্লার বাস বন্ধ

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

রাজশাহী ও নাটোর থেকে সরাসরি ঢাকায় চলাচলকারী পাঁচটি বৃহৎ পরিবহন কোম্পানির বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে এই রুটে চলাচলকারী হানিফ পরিবহন, কেটিসি, দেশ ট্রাভেলস, ন্যাশনাল ট্রাভেলস ও গ্রামীণ ট্রাভেলসের সকল বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নাটোর বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, যারা ঢাকাগামী বাসের টিকিট কিনেছিলেন, কাউন্টারের কর্মচারীরা তাদের টিকিটের টাকা ফেরত দিচ্ছেন। ফলে যাত্রীদের বিকল্প পথে ঢাকা যেতে হচ্ছে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। তবে একতা পরিবহন ও কিছু লোকাল বাস চলায় সেখানে উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে।
এর আগে এই পাঁচটি পরিবহন কোম্পানির বাসের শ্রমিকরা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গত ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর কর্মবিরতি পালন করেছিলেন। পরে মালিক ও শ্রমিকদের আলোচনার ভিত্তিতে কিছু বেতন বৃদ্ধির শর্তে বাস চলাচল আবার শুরু হয়। তবে মালিকপক্ষ বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে জানান যে বর্ধিত বেতন-ভাতা দেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ফের তারা বাস চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেন।
শ্রমিকরা বলেন, আমাদের ন্যায্য বর্ধিত বেতন বৃদ্ধি নিয়ে মালিকপক্ষই বাস চলাচল বন্ধ করেছেন। ফলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী ও নাটোর থেকে ঢাকাগামী বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
তাদের অভিযোগ, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে তাদের বেতন বাড়ানো হয়নি। বর্তমানে চালক এক ট্রিপে পান মাত্র ১২০০ টাকা, হেলপার ৬০০ টাকা ও সুপারভাইজার আরও কম।
তারা দাবি তুলেছেন, চালকের বেতন ট্রিপপ্রতি ২ হাজার, হেলপারের ১ হাজার ও সুপারভাইজারের ১১০০ টাকা নির্ধারণের পাশাপাশি হোটেল ভাড়া ও খাবারের খরচ ভাতা হিসেবে দেওয়ার জন্য।

এ বিষয়ে হানিফ পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার খন্দকার কোরবান বলেন, মালিকদের নির্দেশে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ থাকবে।


এমই/এমআর

বাংলাদেশ সময়: ২০:০২:৫৫ ● ২২৩ বার পঠিত




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

আর্কাইভ