বুধবার ● ৪ মার্চ ২০২৬

কম্প্যাকশন ছাড়াই ব্লক বসানোর অভিযোগ গলাচিপায় বেড়িবাঁধের কাজ সাময়িক বন্ধ

হোম পেজ » লিড নিউজ » কম্প্যাকশন ছাড়াই ব্লক বসানোর অভিযোগ গলাচিপায় বেড়িবাঁধের কাজ সাময়িক বন্ধ
বুধবার ● ৪ মার্চ ২০২৬


 

কম্প্যাকশন ছাড়াই ব্লক বসানোর অভিযোগে গলাচিপায় বেড়িবাঁধের কাজ সাময়িক বন্ধ

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, গলাচিপা (পটুয়াখালী)

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি লঞ্চঘাট এলাকায় বেড়িবাঁধ নির্মাণের নদীভাঙনরোধে ব্লক বসানোর কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্লোপ (ঢাল) যথাযথভাবে রোলার বা কম্প্যাক্টর দিয়ে চাপ দিয়ে শক্ত না করেই কংক্রিট ব্লক বসানো হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে তারা সাময়িকভাবে কাজ বন্ধ করে দেন। পরে স্থানীয় প্রশাসন ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর অনুরোধে কাজ পুনরায় শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেবে বলে জানানো হয়েছে।

 

সূত্র জানায়, গলাচিপা উপজেলার ৫৫/১ ফোল্ডারের আওতায় ৪১ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে পানপট্টি লঞ্চঘাট এলাকায় ৫০০ মিটার বেড়িবাঁধের স্লোপে কংক্রিট ব্লক বসানো হবে। প্রকল্প অনুযায়ী, ব্লক বসানোর আগে গাইডওয়াল নির্মাণ ও স্লোপ কম্প্যাকশন সম্পন্ন করে বালু ও জিওব্যাগ দিয়ে খোয়া বিছিয়ে তার ওপর ব্লক স্থাপনের কথা রয়েছে। কাজের ওয়ার্ক অর্ডার পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আজাদ এন্টারপ্রাইজ।

 

স্থানীয়দের দাবি, ব্লক বসানোর আগে ঢাল সমতল ও শক্ত করে নেওয়া প্রকৌশলগতভাবে বাধ্যতামূলক। কিন্তু বাস্তবে যথাযথ কম্প্যাকশন ছাড়াই ব্লক বসানো হচ্ছে। ফলে ইতোমধ্যে কিছু ব্লক দেবে যেতে শুরু করেছে বলে তারা জানান। এতে নির্মিত বাঁধের স্থায়িত্ব নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

 

স্থানীয় বাসিন্দা মো. নয়ন মিয়া বলেন, আগুনমুখা নদীর তীব্র স্রোতে প্রতিবছর পানপট্টির লঞ্চঘাট এলাকা ভাঙনের কবলে পড়ে। বেড়িবাঁধের কাজ সঠিকভাবে না হলে বর্ষা মৌসুমে ব্লক সরে গিয়ে পুনরায় ভাঙন দেখা দিতে পারে। বর্তমানে মাটি ফেলে কোনো ধরনের রোলার চাপা ছাড়াই ব্লক বসানো হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

 

তবে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মো. বেল্লাল বলেন, ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে এবং কম্প্যাকশন টেস্ট সম্পন্ন করেই ব্লক বসানো শুরু হয়েছে। যেখানে স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, সেখানে জোয়ারের পানির কারণে রোলার ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি বলে তিনি জানান।

বাংলাদেশ সময়: ২৩:৩৪:০৯ ● ১৭ বার পঠিত