মঙ্গলবার ● ৩ নভেম্বর ২০২৬

আমতলীতে শ্বশুর-শাশুড়ির বাড়িতে ৪৭০০ ইয়াবা, জামাতা পলাতক

হোম » বরগুনা » আমতলীতে শ্বশুর-শাশুড়ির বাড়িতে ৪৭০০ ইয়াবা, জামাতা পলাতক
মঙ্গলবার ● ৩ নভেম্বর ২০২৬


আমতলীতে শ্বশুর-শাশুড়ির বাড়িতে ৪৭০০ ইয়াবা, জামাতা পলাতকসাগরকন্যা প্রতিবেদক, আমতলী (বরগুনা)

 

বরগুনার আমতলীতে শ্বশুর-শাশুড়ির বাড়িতে মজুত রাখা ৪ হাজার ৭০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় শ্বশুর সেলিম প্যাদা (৫৫) ও শাশুড়ি কহিনুর বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে পুলিশের অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে গেছেন তাঁদের জামাতা সবুজ মৃধা। পুলিশের দাবি, সবুজই ইয়াবা সংগ্রহ, মজুত ও বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির মূল নিয়ন্ত্রক।

 

সোমবার (২ নভেম্বর) দিবাগত রাতে আমতলী উপজেলার পূর্ব চুনাখালী গ্রামের সেলিম প্যাদার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে গ্রেপ্তার দুজনকে আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির একটি দল সেলিম প্যাদার বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তাঁর স্ত্রী কহিনুর বেগমের শরীর তল্লাশি করে ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির রান্নাঘরে লুকিয়ে রাখা একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে আরও ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া ইয়াবা বহন ও মোড়কজাতকরণে ব্যবহৃত ব্যাগ, কসটেপসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

 

বরগুনা জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, অভিযানে ৪ হাজার ৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের জামাতা সবুজ মৃধা পালিয়ে গেছেন। তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, সবুজ মৃধা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে শ্বশুর-শাশুড়ির বাড়িতে মজুত রাখতেন। পরে ওই বাড়ি থেকে গাড়িতে করে বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা সরবরাহ ও বিক্রি করা হতো।

 

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, গ্রেপ্তার দুজন ও পলাতক সবুজ মৃধার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।

 

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, উপজেলার চুনাখালী বাজার, চরখালী, কালিবাড়ী ও গোজখালী এলাকায় রাতে মাদক বিক্রির আসর বসে। তাঁদের দাবি, এসব এলাকায় মোটরসাইকেলচালক সায়েখ হাওলাদার, তাঁর ভাই শাহীন হাওলাদার, বাবলু ও রিনা বেগম মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত। তাঁদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বাংলাদেশ সময়: ১৭:১১:২২ ● ১৭ বার পঠিত