সোমবার ● ৫ অক্টোবর ২০২৬

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা চায় বাংলাদেশ

হোম » লিড নিউজ » শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা চায় বাংলাদেশ
সোমবার ● ৫ অক্টোবর ২০২৬


 

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা চায় বাংলাদেশ

সাগরকন্যা প্রতিবেদক

 

ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশে থাকা অন্য আসামিদের প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নিতে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তবে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানিয়েছেন, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

 

রবিবার (৪ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, শেখ হাসিনাকে ফেরানোর ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক সদিচ্ছাও প্রয়োজন। ভারত সরকার চলমান প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

এর আগে শনিবার ঢাকায় একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আলোচনায় শেখ হাসিনাকে কবে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে, জানতে চাওয়া হয় দীনেশ ত্রিবেদীর কাছে। জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্ররাও একাধিকবার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ার কথা জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 

দীনেশ ত্রিবেদীর বক্তব্যের পর শামা ওবায়েদ বলেন, ‘অবশ্যই এর সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়া জড়িত। তবে রাজনৈতিক সদিচ্ছারও প্রয়োজন আছে।’ তিনি আশা করেন, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে ভারত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

রবিবার সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরানো সম্ভব। তিনি বলেন, ‘ওই চুক্তির আওতায় অভিযুক্তকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। সেই প্রক্রিয়াই এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’

 

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছাড়ার পর শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান। এরপর থেকেই তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য একাধিকবার ভারতের কাছে অনুরোধ জানিয়ে আসছে ঢাকা। এ বিষয়ে ভারতীয় পক্ষের বক্তব্য, প্রত্যর্পণের সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় জড়িত থাকায় নির্দিষ্ট সময়সীমা বলা সম্ভব নয়।

 

এদিকে, শেখ হাসিনাকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার প্রসঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, সে সময় তাঁকে অবতরণের অনুমতি দেওয়া ছাড়া ভারতের সামনে বিকল্প ছিল না। অনুমতি না দিলে ভিন্ন ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

বাংলাদেশ সময়: ১২:২০:৩৯ ● ২৮ বার পঠিত