বৃহস্পতিবার ● ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বরগুনায় অনৈতিক কাজে প্রস্তাব ও মারধরের অভিযোগে মামলা

হোম » বরগুনা » বরগুনায় অনৈতিক কাজে প্রস্তাব ও মারধরের অভিযোগে মামলা
বৃহস্পতিবার ● ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বরগুনায় অনৈতিক কাজে প্রস্তাব ও মারধরের অভিযোগে মামলা

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, বরগুনা

বরগুনার বামনায় এক নারীকে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার পর ব্যর্থ হয়ে মারধরের অভিযোগে প্রতিবেশী আরিফসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মো. ওসমান গনি মামলাটি গ্রহণ করেন। অভিযোগটি অনুসন্ধান করে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বরগুনা জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার প্রধান আসামি বামনা উপজেলার ডৌয়াতলা ইউনিয়নের ভাইজোড়া গ্রামের আজিজ হারুন সর্দারের ছেলে আরিফ (৩০)। অন্য আসামিরা হলেন ময়না (৩৫), তাসলিমা (৪০), রুনু বেগম (৪০), আলেকনুর (৫০) ও রাবেয়া (২৮)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর রনজুয়ারা সিপু।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী ঢাকায় আনসার কমান্ডার হিসেবে কর্মরত। স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে প্রতিবেশী আরিফ ওই নারীকে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হওয়ার প্রস্তাব দিতেন। বিষয়টি স্বামীকে জানালে তিনি স্ত্রীকে সতর্ক থাকতে বলেন। এরপর আরিফ সুযোগ খুঁজতে থাকেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর আনুমানিক ৭টার দিকে ওই নারী নিজ ঘরে কাজ করছিলেন। এ সময় ঘরে কেউ না থাকার সুযোগে আরিফ সেখানে ঢুকে তার মুখ চেপে ধরে টানাহেঁচড়া করেন এবং অনৈতিক কাজে লিপ্ত হওয়ার চেষ্টা করেন। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে নারীর পরনের কাপড় খুলে ফেলারও অভিযোগ করা হয়েছে।

ওই নারী চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। তখন আরিফ তাকে ছেড়ে দিয়ে ঘরের পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, ঘটনার কথা প্রতিবেশীদের জানানোর পর রাত ১১টার দিকে আরিফের নেতৃত্বে অন্য আসামিরা ওই নারীকে লাঠি দিয়ে মারধর করেন। এতে তার মাথায় রক্তাক্ত জখম হয়।

বাদীর অভিযোগ, আহত অবস্থায় চিকিৎসা নেওয়ার পর গত ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে বামনা থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা না নিয়ে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়।

তবে পুলিশের বক্তব্য ভিন্ন। বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেন খান বলেন, এ ঘটনায় থানায় কেউ মামলা করতে আসেননি। বাদী অসত্য কথা বলেছেন। থানায় মামলা করতে এলে তদন্ত করে মামলা নেওয়া হতো।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রধান আসামি আরিফের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।


এমএইচকে/এমআর

বাংলাদেশ সময়: ১৫:৩৮:৪৬ ● ১২৭ বার পঠিত