মঙ্গলবার ● ২৫ আগস্ট ২০২৬

জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মহিপুরে নারী-কৃষকদের মাঝে ৩ হাজার চারা বিতরণ

হোম » পটুয়াখালী » জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মহিপুরে নারী-কৃষকদের মাঝে ৩ হাজার চারা বিতরণ
মঙ্গলবার ● ২৫ আগস্ট ২০২৬


 

জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মহিপুরে নারী-কৃষকদের মাঝে ৩ হাজার চারা বিতরণ

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)

 

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কৃষিকে জলবায়ু সহনশীল করে তুলতে পটুয়াখালীর মহিপুরে সুবিধাবঞ্চিত নারী ও কৃষকদের মাঝে ৩ হাজার ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে মহিপুর থানা সদরের কারিতাস বরিশাল অঞ্চলের মহিপুর কার্যালয়ের আধারমানিক প্রশিক্ষণ কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব চারা বিতরণ করা হয়। কারিতাস বাংলাদেশের ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠী পরিবেশবান্ধব কৃষি (এগ্রো-ইকোলজি) চর্চার মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল অভিযোজন কৌশল বৃদ্ধিতে সক্ষমতা অর্জন’ (ইসিআরএবি) প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরাফাত হোসেন, মহিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. ফজলু গাজী, কারিতাস কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ইসিএফএস বিভাগের ম্যানেজার সুবাস এ. গমেজ, সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাস ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আশরাফ আলী।

 

কারিতাস বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক মার্সেল রতন গুদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কারিতাসের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও প্রকল্পের উপকারভোগী নারী কৃষকেরা উপস্থিত ছিলেন।

 

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি, জীববৈচিত্র্য এবং মানুষের জীবন-জীবিকা ক্রমেই ঝুঁকির মুখে পড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরিবেশবান্ধব কৃষিচর্চা, বৃক্ষরোপণ এবং ফলজ ও ঔষধি গাছের আবাদ বাড়ানোর মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। বিশেষ করে নারী কৃষকদের সম্পৃক্ত করে তাদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়ানো গেলে পরিবার ও সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, মানুষের খাদ্য, পুষ্টি ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’

 

পরে তিনি সুবিধাবঞ্চিত নারী ও কৃষকদের হাতে ৩ হাজার ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দেন। চারা বিতরণ শেষে কারিতাস কার্যালয়ের সামনে একটি গাছের চারা রোপণ করেন তিনি। এ সময় কারিতাসের কর্মকর্তা, কৃষি বিভাগের প্রতিনিধি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নারী কৃষকেরা উপস্থিত ছিলেন।

 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কারিতাস বরিশাল অঞ্চলের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মসূচি কর্মকর্তা সম্রাট সেরাও।

বাংলাদেশ সময়: ২০:১৭:৪১ ● ১৭ বার পঠিত