সোমবার ● ৩ আগস্ট ২০২৬
নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে অঙ্গীকার নয়, প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ
হোম » মতামত » নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে অঙ্গীকার নয়, প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপনিকোলাস বিশ্বাস
নারী ও শিশু নির্যাতন কেবল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি কিংবা অপরাধের পরিসংখ্যানগত হিসাব নয়; এটি একটি সমাজের মানবিকতা, নৈতিকতা, সামাজিক মূল্যবোধ এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্ববোধের গভীর সংকটের প্রতিচ্ছবি। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারী ও শিশু নির্যাতনের নানা ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে সামনে আসছে। শারীরিক নির্যাতন, যৌন হয়রানি, ধর্ষণ, পারিবারিক সহিংসতা, মানসিক নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, অপহরণ ও হত্যার মতো অপরাধ আমাদের দৈনন্দিন সামাজিক জীবনে চরম নিরাপত্তাহীনতার এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরছে।
নারী ও শিশু নির্যাতন কোনো নির্দিষ্ট পরিসরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ধর্মীয়, রাজনৈতিক, পারিবারিক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক- সব ক্ষেত্রেই এ ধরনের অপরাধ অহরহ ঘটছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি, ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, পারিবারিক বিরোধ, সামাজিক কুসংস্কার এবং অর্থনৈতিক দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে অপরাধীরা অসহায় ও দুর্বল মানুষকে সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে। আর্থসামাজিক অবস্থানগত কারণে নারী ও শিশুরা তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিতে থাকায় অপরাধীরা প্রায়ই তাদের সহজ লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করে। এই নিষ্ঠুর বাস্তবতা শুধু ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে না; বরং পুরো সমাজের শান্তি, শৃঙ্খলা, কল্যাণ ও নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করে।
বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতা ও প্রবণতা
২০২৬ সালেও বিশ্বব্যাপী নারী ও শিশু নির্যাতনের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিভিন্ন দেশে চলমান সশস্ত্র সংঘাত, মানবিক সহায়তাকারী সংস্থাগুলোর তীব্র অর্থসংকট এবং লিঙ্গসমতার অগ্রযাত্রার বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। কয়েক দশকের আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার ও আন্দোলন সত্ত্বেও বিশ্বজুড়ে এখনো প্রায় প্রতি তিনজন নারীর একজন জীবদ্দশায় ঘনিষ্ঠ সঙ্গী কিংবা অন্য কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে শারীরিক বা যৌন সহিংসতার শিকার হচ্ছেন।
এর পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর নির্যাতনের হারও আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে হয়রানি ও হুমকির মাধ্যমে নারী সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, সামাজিক আন্দোলনকারী এবং পরিচিত ব্যক্তিত্বদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা করা হচ্ছে। ২০২৬ সালের মে মাসে জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) শিশুদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান যৌন সহিংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। সংস্থাটি স্থানীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ‘শূন্য-সহনশীলতা’ নীতি কার্যকর করা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসানের আহ্বান জানিয়েছে।
দেশের বর্তমান বাস্তবতা
বাংলাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে শারীরিক নির্যাতন, ধর্ষণ এবং শিশু মৃত্যুর ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে এক মাসেই সারা দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ২,০১১টি মামলা নিবন্ধিত হয়েছে, যা ২০২৫ সালের জুলাইয়ের পর গত নয় মাসের মধ্যে একক মাসে সর্বোচ্চ।
হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ১,৬২১ জন নারী ও কিশোরী সহিংসতার শিকার হয়েছেন। ২০২৫ সালের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ১,০৪২। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে এ ধরনের ঘটনা প্রায় ৫৬ শতাংশ বেড়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে ৪৯০ জন শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৯৫ জন শারীরিক নির্যাতন, পারিবারিক সহিংসতা বা যৌন নির্যাতনের পর প্রাণ হারিয়েছে।
সংগৃহীত উপাত্ত অনুযায়ী, ১ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রায় ৮৬ শতাংশ শিশু শারীরিক শাস্তি বা সহিংসতার মুখোমুখি হয়। দেশের ৪৭ দশমিক ২ শতাংশ কিশোরীর ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই বাল্যবিবাহ হয়। এছাড়া প্রায় ৭০ শতাংশ নারী জীবনের কোনো না কোনো সময়ে সঙ্গীর মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার হন।
তবে এসব পরিসংখ্যান প্রকৃত ঘটনার আংশিক চিত্রই তুলে ধরে। সামাজিক কলঙ্ক, প্রতিশোধের ভয়, অর্থনৈতিক নির্ভরতা এবং পারিবারিক চাপের কারণে অধিকাংশ ভুক্তভোগী আইনি সহায়তা নিতে পারেন না; অনেকেই আদালতের বাইরে আপস করতে বাধ্য হন।
বাংলাদেশে ১০২টি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এবং ‘১০৯’ ও ‘১০৯২১’ জাতীয় হেল্পলাইনের মতো আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো থাকলেও সেগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নে বড় ধরনের দুর্বলতা রয়েছে। ২০১৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে নথিভুক্ত ৫,৬০০টিরও বেশি যৌন সহিংসতার মামলার মধ্যে মাত্র ২ শতাংশে দণ্ডাদেশ হয়েছে।
এ অবস্থায় জরুরি ও কৌশলগত পদক্ষেপ নেওয়া সময়ের দাবি। বাংলাদেশে একটি স্বতন্ত্র শিশু বিষয়ক বিভাগ প্রতিষ্ঠা, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন আরও কার্যকর করা এবং পেশাদার ও সমাজভিত্তিক শিশু সুরক্ষা কর্মী দল গঠন জরুরি। সেই সঙ্গে বিভিন্ন খাতের সমন্বয়ে একটি কার্যকর কর্মগোষ্ঠী গড়ে তুলতে হবে, যা অরক্ষিত নারী ও শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা কাটিয়ে কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলবে।
প্রযুক্তি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মানসিক প্রভাব
প্রযুক্তির বিকাশ অপরাধের ধরন ও সামাজিক প্রতিক্রিয়াকে আমূল বদলে দিয়েছে। স্মার্টফোন ও দ্রুতগতির ইন্টারনেটের কারণে নির্যাতনের ছবি বা ভিডিও মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। অতীতেও সহিংসতা ঘটত; তবে প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার কারণে সেসব ঘটনা এত দ্রুত সামাজিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারত না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব ঘটনার প্রচারের দুটি দিক রয়েছে।
ক) ইতিবাচক প্রভাব: অপরাধের ভিডিও বা ছবি জনমত গঠনে সহায়তা করে, অপরাধীকে দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়।
খ) নেতিবাচক প্রভাব: সহিংসতার ভয়াবহ দৃশ্য বারবার দেখার ফলে মানুষের মধ্যে মানসিক চাপ, আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি হয়।
নারী ও শিশুদের ওপর এই মানসিক প্রভাব আরও দীর্ঘস্থায়ী হয়। কোনো মা যখন একটি শিশুর ওপর নির্যাতনের ভিডিও দেখেন, তখন নিজের সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে স্থায়ী উদ্বেগ তৈরি হয়। একইভাবে, প্রকাশ্যে কোনো নারীকে লাঞ্ছিত হতে দেখলে অন্য নারীদের মনে ভয় জন্মায় এবং তারা নিজেদের চলাফেরা ও স্বাধীনতা সীমিত করতে বাধ্য হন। এভাবে বিচ্ছিন্ন ঘটনাও প্রযুক্তির মাধ্যমে পুরো সমাজে এক ধরনের যৌথ মানসিক আঘাত ও ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করে।
প্রযুক্তির অসচেতন ব্যবহার পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। ভুক্তভোগীর পরিচয় প্রকাশ, সংবেদনশীল ছবি বা ভিডিও বারবার ছড়িয়ে দেওয়া কিংবা গুজব প্রচারের ফলে ভুক্তভোগী ও তার পরিবার দ্বিতীয়বারের মতো সামাজিক অপমান ও মানসিক যন্ত্রণার শিকার হন। প্রযুক্তি কেবল একটি মাধ্যম; তাই এর ব্যবহারেও সংবেদনশীলতা ও দায়িত্বশীলতা অপরিহার্য।
রাজনৈতিক সংঘাত ও পারিবারিক সহিংসতা
দলীয় সংঘাত ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব নারী ও শিশুদের ওপর নির্যাতনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ। গণতান্ত্রিক চর্চায় মতাদর্শগত ভিন্নতা স্বাভাবিক হলেও রাজনৈতিক বিরোধ কখনোই অমানবিক নির্যাতনের বৈধতা দিতে পারে না।
গণপিটুনি, শারীরিক নির্যাতন, প্রকাশ্যে অপমান এবং নৃশংসতা মানুষের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে। যখন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সহিংসতাকে নিয়মিত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তখন সমাজ ধীরে ধীরে সংবেদনশীলতা হারিয়ে ফেলে। একসময় মানুষের কষ্টও সমাজের কাছে স্বাভাবিক হয়ে ওঠে, যা একটি অসুস্থ সামাজিক ব্যবস্থার লক্ষণ।
অন্যদিকে পারিবারিক সহিংসতা একটি ভয়াবহ কিন্তু নীরব সংকট। পরিবার ও সমাজ প্রায়ই একে ব্যক্তিগত বিষয় বলে এড়িয়ে যায়। স্ত্রীর ওপর নির্যাতন, শিশুদের প্রতি শারীরিক ও মানসিক নিষ্ঠুরতা এবং বয়স্ক বা দুর্বল ব্যক্তিদের অপমান গুরুতর অপরাধ হলেও সম্মানহানি ও সংসার টিকিয়ে রাখার চাপে অনেক ভুক্তভোগী নীরব থাকেন। এই নীরবতা অপরাধীদের আরও উৎসাহিত করে। তাই পরিবার ও সমাজকে এই নীরবতা ভেঙে ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়াতে হবে।
সমাধানের মূল পথ
নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধে শুধু আইন সংশোধন বা আলোচনা যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন বাস্তবমুখী ও সমন্বিত পদক্ষেপ।
১. কঠোর ও নিরপেক্ষ আইন প্রয়োগ: রাজনৈতিক প্রভাব বা ক্ষমতার তোয়াক্কা না করে অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীর সুরক্ষা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করা জরুরি। বিচারে দীর্ঘসূত্রতা বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট করে।
২. নৈতিক ও পারিবারিক শিক্ষা: পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই শিশুদের সহমর্মিতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও লিঙ্গসমতার শিক্ষা দিতে হবে। ছেলেদের শেখাতে হবে, শারীরিক শক্তি কখনো অন্যকে নিপীড়নের বৈধতা দেয় না। মেয়েদেরও তাদের অধিকার, আত্মরক্ষা এবং আইনি প্রতিকার সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।
৩. ভুক্তভোগীকে দোষারোপের সংস্কৃতি বন্ধ: ভুক্তভোগীর পোশাক, চলাফেরা বা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে অপরাধীর দায় লঘু করার প্রবণতা পরিহার করতে হবে। অপরাধের সম্পূর্ণ দায় অপরাধীর; ভুক্তভোগী সহানুভূতি, সুরক্ষা ও আইনি সহায়তা পাওয়ার অধিকারী।
৪. গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব: গণমাধ্যমকে ভুক্তভোগীর পরিচয় গোপন রেখে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা করতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোকে নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে ‘শূন্য-সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণ করতে হবে এবং কোনো অপরাধীকে দলীয় প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।
সম্মিলিত দায়িত্ব
একটি সভ্য সমাজের পরিচয় তার অট্টালিকা, প্রযুক্তি বা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে নয়; বরং সবচেয়ে দুর্বল ও অরক্ষিত মানুষের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার সক্ষমতায়।
নারী ও শিশুর সুরক্ষা কেবল সরকারের একার দায়িত্ব নয়। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, নাগরিক সমাজ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং প্রতিটি নাগরিককে সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে নীরব থাকা মানে অপরাধকে পরোক্ষভাবে সমর্থন করা। আজ যে ঘটনা অন্যের পরিবারে ঘটছে, তা আগামীকাল আমাদের নিজেদের পরিবারেও ঘটতে পারে।
আমাদের এমন একটি সমাজ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে নারীরা ঘরে ও বাইরে নিরাপদ থাকবে এবং শিশুরা ভয়হীন পরিবেশে বেড়ে উঠবে। কোনো মতপার্থক্যই সহিংসতার বৈধতা দিতে পারে না। নীরবতা ভেঙে সহিংসতার বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলেই একটি নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ নির্মাণ সম্ভব।
(নিকোলাস বিশ্বাস একজন উন্নয়নকর্মী এবং জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল ‘ইউএনএফপিএ’ মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত। ই-মেইল: gonomaddyom@gmail.com)
বাংলাদেশ সময়: ৬:১৩:০৪ ● ৩৯ বার পঠিত
