বৃহস্পতিবার ● ৯ জুলাই ২০২৬
নাজিরপুরে নদীভাঙনের ঝুঁকিতে গাওখালী স্কুল-সংলগ্ন সড়ক, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ
হোম » পিরোজপুর » নাজিরপুরে নদীভাঙনের ঝুঁকিতে গাওখালী স্কুল-সংলগ্ন সড়ক, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, নাজিরপুর (পিরোজপুর)
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার গাওখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজের পশ্চিম পাশ দিয়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটি কাদাময় ও পিচ্ছিল হয়ে যায়। নদীভাঙনে সড়কের একাংশ বিলীন হওয়ায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের এক পাশে নদী এবং অন্য পাশে গাওখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজের সীমানাপ্রাচীর। নদীভাঙনের কারণে সড়কের প্রশস্ততা অনেক কমে গেছে। কোথাও কোথাও সামান্য অসতর্কতায় নদীতে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি পথচারীদেরও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নারী, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও অসুস্থ রোগীদের এই সড়ক দিয়ে চলাচলে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয়। পিচ্ছিল কাদায় পিছলে ইতোমধ্যে একাধিক ব্যক্তি পাশের নদীতে পড়ে আহত হয়েছেন বলেও জানান তারা।
সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছে গাওখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী এই সড়ক ব্যবহার করে বিদ্যালয় ও কলেজে যাতায়াত করে। বর্ষা মৌসুমে কাদা ও নদীভাঙনের কারণে তাদের নিরাপদে চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সড়কটির দক্ষিণ পাশে রয়েছে গাওখালী বাজার এবং উত্তর দিকে দেউলবাড়ী-দোবড়া ইউনিয়ন পরিষদ। এছাড়া উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়ির মানুষের জন্য এটি অন্যতম প্রধান যোগাযোগ সড়ক। প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই পথ ব্যবহার করলেও দীর্ঘদিন ধরে সড়ক সংস্কার বা নদীভাঙন রোধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সড়কটি সংস্কার, টেকসইভাবে পুনর্নির্মাণ এবং নদীভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে বর্ষা মৌসুমে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া শাহনাজ তমা বলেন, উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর আমাকে জানিয়েছে, এলজিইডিতে এই সড়কের উন্নয়নের প্রস্তাব অনেক আগেই পাঠানো হয়েছে।
এএএইচ/এমআর
বাংলাদেশ সময়: ১৪:১৩:৪৪ ● ১৭ বার পঠিত
