
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, চরফ্যাশন (ভোলা)
ভোলার চরফ্যাশনে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (২য় সংশোধিত)-এর আওতায় ইলিশ অভয়াশ্রমে মার্চ-এপ্রিল মাসে মৎস্য আহরণ থেকে বিরত থাকা জেলেদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলার ৫০০ সুবিধাভোগী জেলের হাতে এসব খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। প্রতিজন জেলে পেয়েছেন আটা, ডাল, তেল, চিনি, আলু ও লবণ।
খাদ্য সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। সভাপতিত্ব করেন চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ। ইউএনও নিজ হাতে জেলেদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।
এসময় বক্তব্য দেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু, চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক হাজী মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়া, সাবেক পৌর মেয়র হাজী আমিরুল ইসলাম মিন্টিজ, জেলা বিএনপির সদস্য হাজী হেলালউদ্দিন টিপু, সাবেক উপজেলা যুবদল সভাপতি হাজী আশরাফুর রহমান দীপু ফরাজীসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ভোলা জেলা দক্ষিণের সেক্রেটারি মাওলানা মো. আব্বাছ উদ্দিন, উপজেলা যুবদল নেতা হাজী গিয়াস উদ্দিন, মৎস্য দলের প্রতিনিধি সোহাগ, কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। এই সম্পদ রক্ষায় নিষিদ্ধ সময়ে সবাইকে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার প্রতিবছর জেলেদের বিভিন্ন প্রণোদনা দিয়ে থাকে। এ বছর নতুন করে খাদ্য সহায়তাও যুক্ত হয়েছে।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানান, প্রকল্পের আওতায় প্রতিজন জেলেকে ১২ কেজি আটা, ৮ কেজি ডাল, ৪ কেজি চিনি, ৪ কেজি লবণ, ১৬ কেজি আলু এবং ১০ লিটার তেল বিতরণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারি এই সহায়তা জেলেদের নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরা থেকে বিরত রাখতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, নিষিদ্ধ সময়ে মাছ আহরণ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।