বুধবার ● ২৫ মার্চ ২০২৬

ডাকযোগে কাফনের কাপড় বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সাময়িক স্থগিত

হোম » বরগুনা » ডাকযোগে কাফনের কাপড় বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সাময়িক স্থগিত
বুধবার ● ২৫ মার্চ ২০২৬


 

বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সাময়িক স্থগিত

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, বরগুনা

বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক সাধারণ নির্বাচন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ১০ এপ্রিল নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। বুধবার দুপুরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আইনজীবী আবদুল লতিফ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, প্রধান নির্বাচন কমিশন ৮ মার্চ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ১৫টি পদের জন্য নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেন। বুধবার ছিল প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এরই মধ্যে ডাকযোগে নির্বাচন কমিশনারদের নামে মো: মাজেদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি হুমকিস্বরূপ কাফনের কাপড় পাঠান। চিরকুটে লেখা ছিল, ‘ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচন বন্ধ কর। নতুবা তোমাদের পরিণতি সাদা কাফনের কাপড়’। এছাড়া বিভিন্ন প্রকার প্রাণনাশের হুমকিও আসতে থাকে।

এ পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন ১০ এপ্রিলের নির্বাচন স্থগিত করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার উল্লেখ করেন, বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অপ্রীতিকর, অরুচীপূর্ণ আচরণ ও হুমকির কারণে অনুষ্ঠানটি কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয়।

নির্বাচনে বিএনপি থেকে সভাপতি পদে চারজন ও স্বতন্ত্র একজন অংশগ্রহণ করেন। সাধারণ সম্পাদক পদে বিএনপি থেকে দুইজন, জামায়াত থেকে একজন ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা একজন প্রতিদ্বন্দিতা করার জন্য প্রস্তুত ছিলেন।

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মো: হুমায়ূন কবির পল্টু বলেন, ‘শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনের প্রচার চলছিল। নির্বাচন কমিশনকে উড়ো চিঠি দেওয়ার কারণে তারা নির্বাচন বন্ধ করেছে। আমি মনে করি তারা ভিতু প্রকৃতির লোক।’

সভাপতি প্রার্থী মো: সিদ্দিকুর রহমান পান্না বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রচার চালাচ্ছি। কোথাকার কে উড়ো চিঠি দিয়ে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে নির্বাচন কমিশনকে হুমকি দিয়েছে। তাতে তারা নির্বাচন বন্ধ করেছে। আমি মনে করি এটি নির্বাচন কমিশনের পাতানো খেলা।’

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মো: জাফর ইকবাল বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনার কোনো প্রার্থীর সঙ্গে আলোচনা না করে নির্বাচন বন্ধ করার এখতিয়ার নেই। তারা প্রশাসনকে জানাতে পারতেন বা পদত্যাগ করতে পারতেন। কার পরামর্শে নির্বাচন বন্ধ হয়েছে আমরা জানি না।’

নির্বাচন কমিশনার আবদুল মজিদ বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার কারো সঙ্গে আলোচনা না করে একটি উড়ো চিঠির বরাত দিয়ে নির্বাচন বন্ধ করতে পারেন না। তিনি ভয় পেলে পদত্যাগ করতে পারতেন।’ প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবদুল লতিফ মিয়ার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ সময়: ১৮:০৩:৫১ ● ১৬১ বার পঠিত