রবিবার ● ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সিসিটিভি ভিডিও ভাইরাল মহিপুরে ছাত্রদল নেতার নেতৃত্বে প্রাইভেট হাসপাতালে হামলা-ভাঙচুর

হোম পেজ » লিড নিউজ » সিসিটিভি ভিডিও ভাইরাল মহিপুরে ছাত্রদল নেতার নেতৃত্বে প্রাইভেট হাসপাতালে হামলা-ভাঙচুর
রবিবার ● ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


 

সিসিটিভি ভিডিও ভাইরাল

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, মহিপুর (পটুয়াখালী)

পটুয়াখালীর মহিপুরে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কেয়ার মডেল হাসপাতালে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিয়ামের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল হাসপাতালে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়।

 

এ সময় হাসপাতালের গ্লাস, আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আকস্মিক হামলায় রোগী ও কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তারা দিকবিদিক ছুটোছুটি করেন। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

 

হামলার ঘটনায় আহত মহিপুর থানা সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক কামরুল ইসলাম শাওন অভিযোগ করে বলেন, ব্যবসায়িক লেনদেনের দুই হাজার টাকা পাওনাকে কেন্দ্র করে সিয়াম মাহমুদ আকরাম, মো. বাপ্পী, ইসমাইল, রিফাত পারভেজ, আব্দুল্লাহ, সৌরভ, ইমরান, আরিফ, জয়ানালসহ কয়েকজন তার ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। পরে তিনি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে গেলে দ্বিতীয় দফায় হামলার শিকার হন। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন গ্লাস ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।

 

অভিযুক্ত সিয়াম বলেন, নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির জেরে ঘটনাটি ঘটেছে। তিনি দাবি করেন, ছাত্রদলের সভাপতি রবিউল ও কামরুল তাদের কয়েকজনকে মারধর করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে হাসপাতালে গিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়।

 

কেয়ার মডেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুজ্জামান বলেন, হঠাৎ ১০-১২ জন যুবক হাসপাতালে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। এতে রোগী ও কর্মীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

 

মহিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ বলেন, বিএনপিতে সন্ত্রাসীদের কোনো স্থান নেই। হাসপাতাল ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শামীম আহমেদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

মহিপুর থানার ওসি মহব্বত খান বলেন, হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে এ ঘটনায় কোনো পক্ষই থানায় অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৫:০৯:৪৮ ● ১০২ বার পঠিত