বরগুনায় ৮ বছর পর পরিত্যক্ত শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন

হোম পেজ » লিড নিউজ » বরগুনায় ৮ বছর পর পরিত্যক্ত শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন
শনিবার ● ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


 

বরগুনায় ৮ বছর পরিত্যক্ত শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, বরগুনা

বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাউন্ডারি ওয়ালের ভেতরে থাকা পরিত্যক্ত শহীদ মিনারে অবশেষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। সাগরকন্যায় গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সংবাদ প্রকাশের পর তারা এই উদ্যোগ নেয়। খবরে বলা হয়, দীর্ঘ ৮ বছর ধরে বাউন্ডারী ওয়ালের ভেতর আটকা পড়ে আছে শহীদ মিনারটি।

 

বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুড়ি ইউনিয়নের গৌরীচন্না বাজারে অবস্থিত শহীদ মিনারটি প্রায় আট বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। ২০১৯ সালে ফুলঝুড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিস কর্তৃপক্ষ শহীদ মিনারটি ভেতরে রেখে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করায় সেখানে যাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে স্থানীয়রা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারছিলেন না। এ বিষয়ে সাগরকন্যায় সংবাদ প্রকাশের পর উদ্যোগ নিয়ে পরিত্যক্ত মিনারটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রং করা হয়।

 

জানা যায়, ২০০৩ সালে ফুলঝুড়ি বাজার কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ীর উদ্যোগে ভাষা শহীদদের স্মরণে গৌরীচন্না বাজারে শহীদ মিনারটি নির্মাণ করা হয়। শহীদ মিনারটি ভূমি অফিসের পূর্ব পাশে ও বরগুনা–বাকেরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পশ্চিম পাশে অবস্থিত। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়া এবং বাজারের ব্যবসায়ীদের আবর্জনা ফেলার কারণে মিনারটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে।

 

স্থানীয় যুবক আনিস মিয়া বলেন, দীর্ঘ আট বছর পর শহীদ মিনারটি পরিষ্কার করে রং করা হয়েছে। বাউন্ডারি না খুললেও আজ সকালে ভূমি অফিসের লোকজন ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এতে স্থানীয়রা খুশি।

 

বরগুনা জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবদুল ওয়াসী মতিন বলেন, আবর্জনা পরিষ্কার ও রং করার ফলে শহীদ মিনারটি শ্রদ্ধা নিবেদনের উপযোগী হয়েছে। তবে বাউন্ডারি সরিয়ে জনসাধারণের যাতায়াতের পথ করে দিলে আরও ভালো হবে।

 

বরগুনা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান জানান, আপাতত আবর্জনা পরিষ্কার করে রং করা হয়েছে। এখন শহীদ মিনারটি শ্রদ্ধা নিবেদনের উপযোগী হয়েছে এবং সকালে সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৫:৩৪:২৩ ● ৪৭ বার পঠিত




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

আর্কাইভ